বাংলাদেশ সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদের সদস্য সচিব কাদের গনি চৌধুরী বলেছেন, ‘বেগম খালেদা জিয়া শুধু বিএনপির সম্পদ নন, তিনি এখন সারা বাংলাদেশের মানুষের আবেগের কেন্দ্রবিন্দু। চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরে এলে বেগম খালেদা জিয়াকে স্বাগত জানানোর জন্য বনানীতে শত শত পেশাজীবী ব্যানার ও জাতীয় পতাকা হাতে অবস্থান নিয়েছেন।’
আজ মঙ্গলবার বনানীতে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলতে গিয়ে তিনি আরো বলেন, ‘দেশের মানুষ বেগম খালেদা জিয়ার উপর আস্থা ও ভরসা রাখেন। শত নির্যাতন সহ্য করেও তিনি দেশের জনগণকে ছেড়ে যাননি।’
তিনি আরো বলেন, ‘গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা, মানুষের অধিকার আদায়ের আন্দোলনে নেতৃত্ব দিতে গিয়ে বেগম খালেদা জিয়া সবচেয়ে বেশি নির্যাতন ও নিপীড়নের শিকার হয়েছেন। তিনি অসাধারণ ত্যাগ স্বীকার করেছেন। গণতন্ত্র, দেশ ও দেশের জনগণের জন্য আপোষহীন ভূমিকার জন্য তাকে বিভিন্ন সময় কারাবরণ করতে হয়েছে, এক ছেলেকে হারিয়েছেন, আরেক ছেলে নির্বাসিত।’
কাদের গনি চৌধুরী আরো বলেন, ‘তিনি (খালেদা জিয়া) মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি সেনাদের হাতে গ্রেফতার হয়েছিলেন। দীর্ঘ নয় মাস দুই শিশু পুত্রসহ পাকিস্তানি সেনানিবাসে বন্দি ছিলেন। এ মহীয়সী নেত্রী দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্রের প্রশ্নে কখনো আপস করেননি। ২০১১ সালে নিউ জার্সির স্টেট সিনেট তাকে ‘গণতন্ত্রের জন্য যোদ্ধা’ উপাধিতে সম্মানিত করে।’
তিনি আরো বলেন, ২০০৯ সাল থেকে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার বাংলাদেশকে একটি কর্তৃত্ববাদী রাষ্ট্রে পরিণত করেছে।
পেশাজীবীদের এ নেতা আরো বলেন, সরকার জোর করে বেগম খালেদা জিয়াকে বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছিল এবং গণতন্ত্রের জন্য আন্দোলন শুরু করায় তাকে দু’বার গৃহবন্দী করা হয়েছে।
এ সময় অন্যদের মধ্য প্রফেসর ডা: ফরহাদ হালিম ডোনার, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব নায়ক আশরাফ উদ্দিন আহমেদ উজ্জল, ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ-ড্যাব- সাবেক সভাপতি অধ্যাপক ডা. হারুন আল রশীদ ও সাবেক মহাসচিব ডা. মো: আব্দুস সালাম, ইউনিভার্সিটি টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ-ইউট্যাব সভাপতি অধ্যাপক ড. এবিএম ওবায়দুল ইসলাম ও মহাসচিব অধ্যাপক ড. মোর্শেদ হাসান খান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের সাদা দলের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. লুৎফর রহমান ও যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খান, অ্যাসোসিয়েশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ-এ্যাব এর সাবেক মহাসচিব আলমগীর হাছিন আহমেদ, ইঞ্জিনিয়ার আসাদুজ্জামান চুন্নু, ইঞ্জিনিয়ার মাহবুবুল আলম, অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ-এ্যাব সাবেক সভাপতি কৃষিবিদ রাশিদুল হাসান হারুন, জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন সমন্বয়কারী অধ্যাপক ডা. শফিকুল হায়দার পারভেজ, জিয়া পরিষদ চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মো: আব্দুল কুদ্দুস ও মহাসচিব অধ্যাপক ড. মো: এমতাজ হোসেন, জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক জোটের মহাসচিব মো: রফিকুল ইসলাম, এমবিএ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ-ম্যাব সভাপতি সৈয়দ আলমগীর, ডিপোমা ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ডিইএব) নেতা মুসলেম উদ্দিন, মোহাম্মদ হানিফ, ইঞ্জিনার্সেস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ন্যাব) সভাপতি জাহানারা বেগম ও সাধারণ সম্পাদক সুজন মিয়া, মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (এম-ট্যাব) সভাপতি এ কে এম মুসা (লিটন) ও ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব হাফিজুর রহমান, ইউনানী আয়ুর্বেদিক গ্র্যাজুয়েট ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (আগড্যাব) সভাপতি ডা. মির্জা লুৎফর রহমান লিটন ও মহাসচিব ডা. আমিনুল বারী কানন, ডিপ্লোমা এগ্রিকালচারিস্ট অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ডি-এ্যাব) সভাপতি মো: জিয়াউল হায়দার পলাশ ও মহাসচিব সৈয়দ জাহিদ হোসেন, ফিজিওথেরাপিস্ট অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (প্যাব) সভাপতি মো: কামরুজ্জামান কল্লোল ও সাধারণ সম্পাদক মো: তানভীরুল আলম, প্রফেসর ডা. রফিকুল ইসলাম লাবু, প্রফেসর ডা. নজরুল ইসলাম, প্রফেসর ডা. শেখ ফরহাদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, সার্বক্ষণিক অসুস্থ খালেদা জিয়ার পাশে থাকায় সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদের আহ্বায়ক প্রফেসর ডা: এজেডএম জাহিদ হোসেনের প্রতি পেশাজীবীরা কৃতজ্ঞতা জানায়।



