শামা ওবায়েদ

কলকাতায় নিহতদের লাশ দ্রুত ফেরাতে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে

কলকাতায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত বাংলাদেশীদের লাশ শনাক্তকরণ ও প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষ হওয়ার পর দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনতে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম |ফাইল ছবি

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কলকাতার একটি হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত বাংলাদেশীদের লাশ শনাক্তকরণ ও প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষ হওয়ার পর দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনতে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।

বুধবার (১৯ আগস্ট) দুপুরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এ কথা বলেন।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, এখন পর্যন্ত জানা গেছে, ওই হোটেলে পাঁচজন বাংলাদেশী ছিলেন এবং স্থানীয় পুলিশ তাদের শনাক্ত করতে পেরেছে।

তিনি বলেন, কলকাতায় নিযুক্ত বাংলাদেশের ডেপুটি হাইকমিশনার সার্বক্ষণিকভাবে বিষয়টির খোঁজখবর রাখছেন। তিনি ঘটনাস্থলের হোটেল ও হাসপাতাল পরিদর্শন করেছেন এবং নিহতদের পরিচয় নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও পুলিশের সাথে যোগাযোগ রাখছেন।

নিহতদের মধ্যে একই পরিবারের চারজন রয়েছেন বলেও জানান তিনি।

শামা ওবায়েদ বলেন, কলকাতায় বাংলাদেশের মিশন ইতোমধ্যে নিহতদের পরিবারের সদস্যদের সাথে বাংলাদেশে যোগাযোগ করেছে। নিহতদের শনাক্তকরণ এবং প্রয়োজনীয় সব আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হওয়ার পর যত দ্রুত সম্ভব মরদেহগুলো দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য কলকাতার মিশন কাজ করছে।

লাশ দেশে ফিরিয়ে আনার খরচ সরকার বহন করবে কি না- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, নিহতদের পরিবার যদি লাশ দেশে ফিরিয়ে আনার খরচ বহন করতে না পারে, তাহলে সরকার অবশ্যই বিষয়টি দেখবে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম থেকে জানা যায়, মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দিবাগত রাত ২টার দিকে কলকাতার নিউমার্কেট এলাকার ফ্রি স্কুল স্ট্রিটে ওই অগ্নিকাণ্ড ঘটে। এয়ার কন্ডিশনার বিস্ফোরণ থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করেছে স্থানীয় ফায়ার সার্ভিস।

আরো পড়ুন : কলকাতায় হোটেলে আগুন : নিহতদের ৫ জন বাংলাদে‌শী

ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে ভারতীয় বার্তাসংস্থা এএনআই জানিয়েছে, নিহত বাংলাদেশীরা চিকিৎসার জন্য কলকাতায় গিয়েছিলেন।

কলকাতা পুলিশ জানিয়েছে, হোটেলটিতে অগ্নিনিরাপত্তার মৌলিক ব্যবস্থা ছিল না। এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। হোটেলের মালিক ও কর্মীদের খোঁজা হচ্ছে। তারা বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।

সূত্র : ইউএনবি