কোনো অযোগ্য প্রার্থী ভুল তথ্য দিয়ে নির্বাচিত হলেও পার পাবেন না। ঋণখেলাপী বা দ্বৈত নাগরিকত্বের প্রমাণ পেলে নির্বাচিত হওয়ার পরও ধরা পড়লে সংসদ সদস্য পদ বাতিল হয়ে যাবে বলে জানান নির্বাচন কমিশনার আবদুর রহমানেল মাছউদ।
তিনি বলেন, ২০২৫ সালে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশে (আরপিও) নতুন একটি ধারা— ৯১এফ— সংযোজন করা হয়েছে। এর ফলে নির্বাচন-পরবর্তী সময়েও যদি কোনো প্রার্থীর হলফনামা বা আয়-ব্যয়ের বিবরণীতে মিথ্যা তথ্য ধরা পড়ে, তবে কমিশন তার প্রার্থিতা বাতিল করতে পারবে।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দেয়ার বিষয়ে দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন নির্বাচন কমিশনার মাছউদ।
আবদুর রহমানেল মাছউদ বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর পূর্ণ সহযোগিতা পাওয়ায় কমিশন এখন অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসী।
রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে কমিশন কোনো চাপের মুখে আছে কিনা— সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে রহমানেল মাছউদ বলেন, ‘আমরা কোনো মহল থেকেই কোনো চাপ পাইনি। সংবিধান অনুযায়ী যে দায়িত্ব আমাদের ওপর অর্পিত হয়েছে, তা আমরা সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে পালন করছি। একটি সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।’
নির্বাচনী পরিবেশ নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে তিনি ভোটারদের আশ্বস্ত করেন। বলেন, ‘আপনারা নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে আসুন এবং নিজেদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিয়ে নাগরিক দায়িত্ব পালন করুন। এখন পর্যন্ত পরিস্থিতি বেশ ভালো ও সন্তোষজনক রয়েছে।’
এছাড়া রাজনৈতিক দলগুলো সব দিক থেকেই কমিশনকে সহযোগিতা করছে, যা একটি অবাধ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের পথ প্রশস্ত করছে বলেও জানান তিনি।



