বঙ্গোপসাগরে ইঞ্জিন বিকল ট্রলারসহ ১২ জেলেকে উদ্ধার করল নৌবাহিনী

বঙ্গোপসাগরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কতা সঙ্কেত এবং সি স্টেট-৪ এর উত্তাল সমুদ্র পরিস্থিতিতে রাতের অন্ধকারে ও বৈরী আবহাওয়ার মধ্যেই বানৌজা পদ্মা তাৎক্ষণিক উদ্ধার অভিযান শুরু করে। দীর্ঘক্ষণ অনুসন্ধান ও রাডার ব্যবহারের মাধ্যমে ট্রলারটিকে শনাক্ত করার পর রাত সাড়ে ১০টার দিকে সফলভাবে ১২ জন জেলেসহ সেটিকে উদ্ধার করা হয়।

নিজস্ব প্রতিবেদক
বঙ্গোপসাগরে ইঞ্জিন বিকল ট্রলারসহ ১২ জেলেকে উদ্ধার করেছে নৌবাহিনী
বঙ্গোপসাগরে ইঞ্জিন বিকল ট্রলারসহ ১২ জেলেকে উদ্ধার করেছে নৌবাহিনী |সংগৃহীত

বঙ্গোপসাগরে ইঞ্জিন বিকল হয়ে ভাসমান অবস্থায় থাকা ‘এফবি নাঈম’ নামক মৎস্য ট্রলারসহ ১২ জন জেলেকে উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) রাতে বাংলাদেশ নৌবাহিনী জাহাজ (বানৌজা) ‘পদ্মা’ এই উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করে।

নৌবাহিনী সূত্রে জানা যায়, বঙ্গোপসাগরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কতা সঙ্কেত এবং সি স্টেট-৪ এর উত্তাল সমুদ্র পরিস্থিতিতে রাতের অন্ধকারে ও বৈরী আবহাওয়ার মধ্যেই বানৌজা পদ্মা তাৎক্ষণিক উদ্ধার অভিযান শুরু করে। দীর্ঘক্ষণ অনুসন্ধান ও রাডার ব্যবহারের মাধ্যমে ট্রলারটিকে শনাক্ত করার পর রাত সাড়ে ১০টার দিকে সফলভাবে ১২ জন জেলেসহ সেটিকে উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধারের পরপরই নৌবাহিনীর সদস্যরা জেলেদের প্রয়োজনীয় খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ করেন। এছাড়া মাছ ধরার সময় আহত হওয়া এক জেলেকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়।

প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যে বানৌজা পদ্মা ট্রলারটিকে প্রায় ২৮ কিলোমিটার টোয়িং করে সুন্দরবন-সংলগ্ন দুবলার চরে অবস্থিত বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড আউটপোস্টের কাছে নিরাপদে নিয়ে আসে। পরে ট্রলারসহ উদ্ধারকৃত জেলেদের কোস্ট গার্ডের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

জেলেদের ভাষ্য অনুযায়ী, গত ৮ সেপ্টেম্বর পায়রা বন্দর থেকে মাছ ধরার উদ্দেশ্যে সাগরে যাওয়া এই ট্রলারটির ইঞ্জিন গত ৯ সেপ্টেম্বর রাতে বিকল হয়ে যায়। এরপর থেকেই তারা ১২ জন জেলে নিয়ে উত্তাল সাগরে ভাসছিলেন। দেশের পানিসীমার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি এমন যেকোনো জরুরি ও মানবিক কার্যক্রমে নৌবাহিনীর তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।