ইসি সচিব

৪ জেলায় ভোটের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করবে মার্কিন দূতাবাস

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন পর্যবেক্ষণে যুক্তরাষ্ট্র কোনো আনুষ্ঠানিক পর্যবেক্ষক দল পাঠাবে না; তবে ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাসের স্বতন্ত্র প্রতিনিধিরা ঢাকা, সিলেট, চট্টগ্রাম ও খুলনায় ভোটের পরিস্থিতি দেখবেন বলে জানিয়েছে ইসি সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।

বিশেষ সংবাদদাতা
ইসি সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।
ইসি সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। |সংগৃহীত

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট দেখতে যুক্তরাষ্ট্র কোনো ফরমাল পর্যবেক্ষক দল পাঠাবে না। তবে ঢাকাস্থ দূতাবাস থেকে একটি স্বতন্ত্র (ইন্ডিপেন্ডেন্ট) প্রতিনিধিদল ও দূতাবাস থেকে কর্মকর্তারা চার জেলায় ভোট পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে যাবেন বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।

তিনি বলেছেন, তারা নির্বাচন কমিশনের তালিকাভুক্ত প্রথাগত ‘ফরমাল অবজার্ভার’ হিসেবে নয়, বরং নিজস্ব উদ্যোগে ভোটের অবস্থা দেখতে যাবেন। সারাদেশে প্রায় সাড়ে ৯ লাখ নিরাপত্তাকর্মী বিভিন্ন স্তরে মোতায়েন থাকবেন। মার্কিন প্রতিনিধিদের এই বিশাল কর্মযজ্ঞ সম্পর্কে অবহিত করা হয়েছে।

বুধবার (২৮ জানুয়ারি) আগারগাঁওস্থ নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) সাথে মার্কিন দূতাবাসের প্রতিনিধিদলের বৈঠক সম্পর্কে ব্রিফিয়ে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান ইসি সিনিয়র সচিব।

আখতার আহমেদ জানান, মার্কিন দূতাবাসের প্রতিনিধিরা ঢাকা, সিলেট, চট্টগ্রাম ও খুলনা- এই চার জেলার ভোটের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করবেন। তারা জানিয়েছেন এই পর্যবেক্ষণে স্বতন্ত্রভাবে যাবেন।

ইসি সিনিয়র সচিব বলেন, এতে আমাদের কোনো অসুবিধা নেই। তারা কোথায় কোথায় যাবেন, সেই তালিকা আমাদের দেবেন বলেছেন। তালিকা পেলে আমরা প্রয়োজনীয় সহযোগিতা (ফ্যাসিলিটেট) করব।

ভোটের দিন যানচলাচল সীমিত থাকার বিষয়ে প্রতিনিধিদল জানতে চাইলে ইসি থেকে তাদেরকে বলা হয়েছে, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে। কত সময়ের জন্য এবং কোন কোন যানবাহনের ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকবে, তা মন্ত্রণালয়ই নির্ধারণ করবে বলেও জানান ইসি সিনিয়র সচিব।

তিনি বলেন, বৈঠকে ব্যালট পেপারের আকার-আকৃতি এবং মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ সম্পর্কে মার্কিন প্রতিনিধিদের ধারণা দেয়া হয়েছে। তিনি বলেন, পুরো প্রক্রিয়াটি দূতাবাস পর্যবেক্ষণ করেছে এবং মন্তব্য করেছেন যে এটি বেশ জটিল ও কষ্টসাধ্য কাজ। তবে তারা পুরো ব্যবস্থাপনা দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন বলে জানান সচিব।

আচরণবিধি লঙ্ঘন নিয়ে মার্কিন প্রতিনিধিদের কোনো সুনির্দিষ্ট পর্যবেক্ষণ ছিল কি না- এমন প্রশ্নে আখতার আহমেদ বলেন, তারা কোনো অভিযোগ করেননি। বরং আমাদের ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম বা আমরা কিভাবে অভিযোগগুলো নিষ্পত্তি করছি, তা জানতে চেয়েছেন। আমরা তাদের জানিয়েছি, আমাদের কমপ্লেন ম্যানেজমেন্ট সেল, ইনকোয়ারি কমিটি এবং জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটরা মাঠ পর্যায়ে কাজ করছেন। আজকেও একটি জেলা থেকে অভিযোগ এসেছে, যা দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য আমরা রিটার্নিং অফিসারের কাছে পাঠিয়েছি।