মিরপুরে জামায়াত নেতাকর্মীদের ওপর সশস্ত্র হামলাকারীদের অবিলম্বে গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দেয়ার আহবান জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী উত্তরের কর্মপরিষদ সদস্য শাহ আলম তুহিন।
তিনি মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) রাজধানীর মিরপুরে মসজিদ থেকে মাগরিব নামাজ আদায় করে বের হওয়ার সময় জামায়াত নেতাকর্মীদের ওপর বিএনপি ও যুবদলের সন্ত্রাসীদের অতর্কিত সশস্ত্র হামলার প্রতিবাদে এবং অবিলম্বে সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদানের দাবিতে এক বিক্ষোভ পরবর্তী সমাবেশে এসব কথা বলেন।
বিক্ষোভ মিছিলটি পীরের বাগ পাকা মসজিদের সামনে থেকে শুরু হয়ে নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে মোল্লার মোড়ে গিয়ে সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়। সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন কাফরুল পশ্চিম থানা জামায়াতের আমির আব্দুল মতিন খান, জামায়াত নেতা আতিকুর রহমান রায়হান, ওয়াহিদুর রহমান প্রমুখ।
শাহ আলম তুমিন বলেন, পরাজয় নিশ্চিত জেনেই বিএনপি ও যুব দলের নেতাকর্মীরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। তারা নির্বাচনী পরিবেশ বিঘ্নিত করার জন্য নানাবিধ বেআইনি তৎপরতা অব্যাহত রেখেছে। তারা রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে রাজনৈতিক ও আদর্শিকভাবে মোকাবেলা করতে ব্যর্থ হয়ে সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের পথ বেছে নিয়েছে। সে ষড়যন্ত্রের অংশ হিসাবেই নামাজ আদায় করে বের হওয়ার সময় বিনা উস্কানিতে জামায়াত-শিবির নেতাকর্মীদের ওপর সশস্ত্র হামলা চালিয়ে ঢাকা মহানগরী উত্তরের শিবির সভাপতি হাফেজ আবু তাহের সহ কয়েকজনকে গুরুতর আহত করা হয়েছে। সন্ত্রাসীদের জিঘাংসা থেকে রেহাই পাননি জামায়াতের নারী কর্মীরাও। তাদের কয়েকজনকেও পিটিয়ে আহত করা হয়েছে। কিন্তু এ বিষয়ে সরকার কোনো কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করছে না। ফলে সন্ত্রাসীরা ক্রমেই বেপরোয়া হয়ে ওঠছে।
তিনি বলেন, সেনা সদস্যদের সামনেই সন্ত্রাসীরা জামায়াত নেতাকর্মীদের ওপর সন্ত্রাসী হামলা চালিয়েছে। পুলিশ প্রশাসনও এ বিষয়ে নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করেনি বরং সন্ত্রাসীদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সহায়তা করেছে। মূলত, সরকার বিশেষ মহল বিশেষের ওপর পক্ষপাতমূলক আচরণ করছে। তারা এখনো সবার জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি করতে পারেনি। তিনি অবিলম্বে সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় এনে শান্তিপূর্ণ নির্বাচনী পরিবেশ বাজায় রাখার আহবান জানান। অন্যথায় জনগণই সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে গণপ্রতিরোধ গড়ে তুলবে।



