প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সহধর্মিণী ডা: জুবাইদা রহমান বলেছেন, শৈশব জীবনের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অধ্যায়। এই সময়েই মানুষের জীবনের বিভিন্ন গুণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হয়। দিবা পরিচর্যা (ডে কেয়ার) কেন্দ্র শুধু নিরাপদে থাকার স্থান নয়, এটি দেশের ভবিষ্যৎ গড়ার সহায়ক।
আজ সোমবার শিশু পরিচর্যা কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে রাজধানীর পানি ভবনের অডিটোরিয়ামে নারী, শিশু ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় আয়োজিত ‘শিশুর প্রারম্ভিক যত্ন ও বিকাশ’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি এ কথা বলেন।
ডা: জুবাইদা রহমান বলেন, বাংলাদেশের ভবিষ্যতের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনে সহায়তা করছে চাইল্ড কেয়ার। এটি হচ্ছে সততা, নিষ্ঠা, শান্তি, শিক্ষা, সংস্কৃতি, মানবিকতা, সহনশীলতা, নিয়মানুবর্তিতা, কৌতূহল, অধ্যবসায় এবং পারস্পরিক সম্মানের ভিত্তি। একইসাথে, এটি দেশের বিরাট নারী জনসংখ্যাকে বেকারত্বের বোঝা থেকে পরিত্রাণ দিচ্ছে।
তিনি বলেন, বর্তমানে ১২৩টি চাইল্ড ডেভেলপমেন্ট সেন্টারে ৭ হাজার ৩৬০টি শিশু পরিচর্যা পাচ্ছে, যা আমাদের মোট শিশু জনসংখ্যার মাত্র ০.০৩৪ শতাংশ। এই অপ্রতুলতার কারণে, প্রত্যয় থাকা সত্ত্বেও একজন মা যেমন নিশ্চিন্তে কাজে মনোযোগ দিতে পারেন না, তেমনি শিশুটিও শৈশবের জন্য প্রয়োজনীয় অনেক অ্যাক্টিভিটি থেকে বঞ্চিত হয়। সে সমবয়সীদের সাথে খেলাধুলা করতে পারে না এবং সর্বোপরি সুস্বাস্থ্য অর্জন থেকে বঞ্চিত হয়। ইনশাআল্লাহ, মানসম্মত সার্বজনীন প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষার সুযোগ এবং আর্লি চাইল্ডহুড ডেভেলপমেন্টের মাধ্যমে শিশুর জ্ঞানভিত্তিক ও সামাজিক বিকাশ একটি শক্ত ভিত্তির ওপর গড়ে উঠবে।
দায়িত্বশীলদেরকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, আপনারা শিশুদের পরম স্নেহে ও যত্নে বড় করে তুলছেন। আপনারা আছেন বলেই আজ অনেক মা-বোন স্বাচ্ছন্দ্যে ও নিশ্চিন্তে চাকরিক্ষেত্রে যোগদান করতে পারছেন, আর শিশুরা নিরাপদ পরিবেশে বেড়ে উঠছে।



