নির্বাচন ও গণভোট

সারাদেশে ৩৭ হাজারের বেশি বিজিবি সদস্য মোতায়েন থাকবে

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সারাদেশে ৩৭ হাজারের বেশি বিজিবি সদস্য মোতায়েন থাকবে। সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি ৪৮৯ উপজেলায় ও সব সংসদীয় আসনে বিজিবি মোবাইল ও স্ট্যাটিক ফোর্স হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে বিজিবির মহড়া
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে বিজিবির মহড়া |সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) দেশব্যাপী বিস্তৃত প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। ভোটাররা যেন নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন পরিবেশে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সে লক্ষ্য সামনে রেখেই এই প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে।

নির্বাচন ও গণভোটে কঠোর নিরাপত্তা দেশের ৪ হাজার ৪২৭ কিলোমিটার সীমান্ত সম্পূর্ণ সুরক্ষিত রেখেই সারাদেশে ৩৭ হাজারেরও অধিক বিজিবি সদস্য মোতায়েন থাকবে।

আজ শনিবার সকালে বিজিবির ঢাকা সেক্টর কমান্ডার কর্নেল এস এম আবুল এহসান জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ঢাকায় স্থাপিত বিভিন্ন নির্বাচনী বেইজ ক্যাম্প পরিদর্শন করেন। বেলা ১১টার দিকে মিরপুর জাতীয় সুইমিং কমপ্লেক্সে প্রেস ব্রিফিং করেন তিনি।

বিজিবি জানান, দেশের ৪৯৫টি উপজেলার মধ্যে ৪৮৯টি উপজেলায় বিজিবি নির্বাচনী দায়িত্ব পালন করবে। পাশাপাশি সীমান্তবর্তী ৬১টি উপজেলায় বিজিবি এককভাবে নির্বাচনী দায়িত্ব পালন করবে। ঝুঁকি বিবেচনায় সারাদেশের ৩০০টি সংসদীয় আসনেই বিজিবি মোবাইল ও স্ট্যাটিক ফোর্স হিসেবে দায়িত্বে থাকবে। উপজেলা ভেদে ২ থেকে ৪ প্লাটুন বিজিবি সদস্য মোতায়েন থাকার কথা রয়েছে।

নির্বাচনকালীন যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিজিবির র‍্যাপিড অ্যাকশন টিম এবং হেলিকপ্টারসহ কুইক রেস্পন্স ফোর্স প্রস্তুত থাকবে বলে সূত্র জানায়, যারা প্রয়োজন হলে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে সক্ষম হবে। পাশাপাশি নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরো জোরদার করতে বিশেষায়িত কে-৯ ডগ স্কোয়াড ইউনিটও মোতায়েন থাকবে।

নির্বাচনে বিজিবি দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে বডি ওর্ন ক্যামেরা, নাইট ভিশন ডিভাইস, মেটাল ডিটেক্টর, এপিসি, আধুনিক সিগন্যাল ও যোগাযোগ সরঞ্জামাদি ব্যবহার করবে, যার মাধ্যমে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও কার্যকর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।

নির্বাচনী পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণের জন্য ব্যাটালিয়ন এবং সেক্টর সদর দফতরে একটি বিশেষ মনিটরিং সেল গঠন করা হয়েছে। নির্বাচনের দিন বিজিবি মোবাইল ও স্ট্যাটিক ফোর্স হিসেবে টহল পরিচালনা, গুরুত্বপূর্ণ স্থানে চেকপোস্ট স্থাপন, যানবাহন ও সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের তল্লাশি কার্যক্রম পরিচালনা করবে, যাতে কোনো মহল নাশকতা বা অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে না পারে।