খাদ্যপণ্য খালাসে বিলম্ব : দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার নির্দেশ মন্ত্রীর

খাদ্যপণ্য জাহাজে অযৌক্তিকভাবে ফেলে রেখে বাজারে কৃত্রিম সঙ্কট সৃষ্টি কিংবা অধিক মুনাফা অর্জনের কোনো অপচেষ্টা বরদাশত করা হবে না।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
ধলেশ্বরী নদী এলাকা পরিদর্শনকালে সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম
ধলেশ্বরী নদী এলাকা পরিদর্শনকালে সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম |ইন্টারনেট

আমদানিকৃত গম ও ভুট্টাবাহী লাইটার জাহাজ থেকে নির্ধারিত সময়ে পণ্য খালাস না করে, দীর্ঘদিন নদীতে নোঙর করে রাখার ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন নৌপরিবহন, সড়ক ও সেতু এবং রেলপথ মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

আজ শনিবার সকালে মুন্সিগঞ্জ জেলার ধলেশ্বরী নদী এলাকায় আকস্মিক পরিদর্শনকালে মন্ত্রী এ নির্দেশ দেন।

পরিদর্শনকালে মন্ত্রী দেখতে পান, বেশ কিছু লাইটার জাহাজ ৬ থেকে ১৮ দিন পর্যন্ত খাদ্যপণ্য বোঝাই অবস্থায় নদীতে অলস পড়ে আছে। বিধি অনুযায়ী, এ সব পণ্য দ্রুত নির্ধারিত গুদামে খালাস করার কথা থাকলেও, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো তা করেনি।

নৌপরিবহন মন্ত্রী বলেন, ‘খাদ্যপণ্য জাহাজে অযৌক্তিকভাবে ফেলে রেখে বাজারে কৃত্রিম সঙ্কট সৃষ্টি কিংবা অধিক মুনাফা অর্জনের কোনো অপচেষ্টা বরদাশত করা হবে না।’

তিনি বলেন, এ ধরনের কর্মকাণ্ডে বাজার ব্যবস্থাপনা ও ভোক্তা স্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

তিনি আরো বলেন, সরকার এ ধরনের অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে। কোনোভাবেই অসাধু ব্যবসায়ীদের ছাড় দেয়া হবে না।

মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, নৌপরিবহন অধিদফতরের অধীনে গঠিত টাস্কফোর্স নদীপথে নিয়মিত তদারকি ও অভিযান পরিচালনা করে আসছে।

গত দেড় মাসে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ ও যশোর অঞ্চলে মোট ৮৩৮টি জাহাজ পরিদর্শন করা হয়েছে। তদন্তে অনিয়ম প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিদ্যমান আইনে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হবে।

পরিদর্শন শেষে নৌপরিবহন, সড়ক ও সেতু ও রেলপথমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম সকল আমদানিকারক, পরিবহনকারী ও ব্যবসায়ীদের নির্ধারিত বিধি-বিধান কঠোরভাবে অনুসরণ ও দ্রুত খাদ্যপণ্য খালাস করে যথাযথ সংরক্ষণ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

সূত্র : বাসস