সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা জীবন বাজি রেখে দায়িত্ব পালন করেন

সরকার সশস্ত্র বাহিনীকে আরো জনমুখী করার লক্ষ্যে কাজ করছে। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে মাঠ প্রশাসনের সাথে সমন্বয় আরো জোরদার করার ওপর গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এবং সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম
প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এবং সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম |ইন্টারনেট

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এবং সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম বলেছেন, দেশের সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা জীবন বাজি রেখে দায়িত্ব পালন করেন এবং কঠোর শৃঙ্খলার মধ্য দিয়েই তারা সেবামূলক কাজে নিয়োজিত থাকেন।

আজ মঙ্গলবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনের তৃতীয় দিনের প্রথম অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

ড. শামছুল ইসলাম বলেন, সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা দেশসেবার অঙ্গীকার নিয়ে বাহিনীতে যোগ দেন। তাদের দৈনন্দিন জীবন অত্যন্ত কঠোর এবং শৃঙ্খলাবদ্ধ। ফজরের নামাজের পর থেকেই প্রশিক্ষণ, প্রশাসনিক দায়িত্ব এবং রাতের ডিউটিসহ সারাদিনই তাদের ব্যস্ত থাকতে হয়।

তিনি বলেন, অনেক সময় একজন সৈনিক দুই দিন পর বিশ্রাম নেয়ার সুযোগ পান। এই কঠোর পরিশ্রমের মধ্য দিয়েই তারা দায়িত্ব পালন করে থাকেন।

উপদেষ্টা জানান, মাঠপর্যায়ে সেনাসদস্যরা যখন সাধারণ মানুষের সাথে কাজ করেন, তখন তাদের দায়িত্ববোধ আরো বৃদ্ধি পায়। জেলা প্রশাসকরাও এ বিষয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন এবং বাহিনী প্রধানদের পাশাপাশি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়কে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, সেনাবাহিনী যেভাবে মাঠ প্রশাসনকে সহায়তা করেছে, তা একটি যুগান্তকারী উদ্যোগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। সশস্ত্র বাহিনীর সামগ্রিক কার্যক্রম নিয়েও সন্তোষ প্রকাশ করা হয়েছে।

শামছুল ইসলাম বলেন, সরকার সশস্ত্র বাহিনীকে আরো জনমুখী করার লক্ষ্যে কাজ করছে। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে মাঠ প্রশাসনের সাথে সমন্বয় আরো জোরদার করার ওপর গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে।