দেশের ১১ ভাগ মানুষ আর্সেনিক দূষণের ঝুঁকিতে রয়েছে : মির্জা ফখরুল

মির্জা ফখরুল বলেছেন, আর্সেনিক ঝুঁকি নিরসনে সাধারণ মানুষকে সুরক্ষা দেয়ার লক্ষ্যে স্থানীয় সরকার বিভাগের আওতাধীন জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতর কর্তৃক বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
সংসদ অধিবেশন, ইনসেটে- মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
সংসদ অধিবেশন, ইনসেটে- মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর |ফাইল ছবি

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানিয়েছেন, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো ও ইউনিসেফের যৌথ জরিপ প্রতিবেদন মালটিপল ইন্ডিকেটর ক্লাস্টার সার্ভে (এমআইসিএস) ২০১৯ অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের মোট জনসংখ্যার শতকরা ১১ ভাগ আর্সেনিক দূষণের ঝুঁকিতে রয়েছে।

তিনি বলেছেন, আর্সেনিক ঝুঁকি নিরসনে সাধারণ মানুষকে সুরক্ষা দেয়ার লক্ষ্যে স্থানীয় সরকার বিভাগের আওতাধীন জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতর কর্তৃক বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সরকারি দলের সদস্য সেলিনা সুলতানার টেবিলে উপস্থাপিত তারকা চিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান।

মির্জা ফখরুল জানান, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতরের মাধ্যমে গ্রামাঞ্চলে বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এ সকল প্রকল্পের আওতায় ২০২৬ সালের মধ্যে প্রায় ১২ লাখ ১৫ হাজার ৯৪৮টি আর্সেনিকমুক্ত পানির উৎস স্থাপন করা হয়েছে। এই ক্ষেত্রে গভীর নলকূপ ছাড়াও পাইপের মাধ্যমে পানি সরবরাহ ব্যবস্থা, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ ব্যবস্থা এবং পুকুর খনন ও পুনঃখননসহ সৌরচালিত পন্ড স্যান্ড ফিল্টার স্থাপন করা হয়েছে।

এতে আশা করা যায়, বর্তমানে যারা আর্সেনিক দূষণের ঝুঁকিতে রয়েছে ২০২৬ সালের মধ্যে তাদের হার শতকরা ৫ থেকে ৬ ভাগে নেমে আসবে বলে তিনি জানান।

গৃহীত পদক্ষেপ বাস্তবায়নে প্রাপ্ত সফলতা সম্পর্কে মন্ত্রী জানান, এ পর্যন্ত ৬ লাখ ১৫ হাজার ৪৯৭টি পানির উৎস স্থাপন করা হয়েছে।

উপকূলীয় জেলাসমূহে বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের মাধ্যমে নিরাপদ পানি সরবরাহ প্রকল্পে এ পর্যন্ত ১ লাখ ৯৯ হাজার ৪৮৫টি পানির উৎস স্থাপন করা হয়েছে।

পানি সরবরাহে আর্সেনিক ঝুঁকি নিরসন প্রকল্পে (সমাপ্ত) এ পর্যন্ত ১ লাখ ৭৪ হাজার ৬৭৬টি পানির উৎস স্থাপন করা হয়েছে। পল্লী অঞ্চলে পানি সরবরাহ প্রকল্পে (সমাপ্ত) এ পর্যন্ত ৮৮ হাজার ২৩৫টি পানির উৎস স্থাপন করা হয়েছে। অগ্রাধিকার মূলক গ্রামীণ পানি সরবরাহ প্রকল্পে (সমাপ্ত) এ পর্যন্ত ১ হাজার ৩৮ হাজার ৫৫টি পানির উৎস স্থাপন করা হয়েছে।

সূত্র : বাসস