ঈদের ছুটির আমেজ এখনো কাটেনি। দেশের বহু মানুষ এখনো পরিবার-পরিজনের সাথে উৎসবের রেশে ডুবে আছে। অনেকেই এখনো ফেরেনি কর্মস্থলে। কিন্তু দেশের দায়িত্ব নেয়ার পর থেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে অন্য সবকিছুর চেয়ে রাষ্ট্রীয় দায়িত্বই বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সেই দায়িত্বের প্রতি শ্রদ্ধা-সম্মান রেখে ঈদের ছুটি শেষে মঙ্গলবার নির্ধারিত সময়ে অফিস শুরু করেন তিনি। শুধু তাই নয়, প্রথম কর্মদিবসেই টানা ১১ ঘণ্টারও বেশি অফিস করেছেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, সকাল ৯টা ১ মিনিটে সচিবালয়ে আসেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রাত ৮টার পর তিনি অফিস ত্যাগ করেন।
তিনি জানান, অফিসে এসে প্রধামন্ত্রী একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে অংশ নেন তিনি। দিনের শুরুতেই আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সাথে বৈঠক করেন। যেখানে দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়। দুপুরে প্রবাসী কল্যাণ, শ্রম ও কর্মসংস্থান বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সাথে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী। প্রবাসী কর্মীদের কল্যাণ ও কর্মসংস্থানের নতুন দিক নিয়ে সেখানে আলাপ-আলোচনা হয়।
রুমন আরো জানান, ঢাকার দীর্ঘদিনের জটিল সমস্যা যানজট নিরসনে কয়েকটি মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট বিভাগের সাথে দুপুরে জরুরি সভা করেন প্রধানমন্ত্রী। রাজধানীর নাগরিক জীবনের অন্যতম বড় এই সমস্যার সমাধানে তার সরাসরি সম্পৃক্ততা বিষয়টিকে নতুন গুরুত্ব দেয়। বিকেলে সৌজন্য সাক্ষাৎ, বিভিন্ন দাফতরিক ফাইল পর্যালোচনা এবং প্রশাসনিক কাজ- সব মিলিয়ে দিনটি ছিল পুরোপুরি কর্মব্যস্ত। এক মুহূর্তের জন্যও যেন থেমে থাকেননি তিনি। রাত ৮টার পর সচিবালয় ত্যাগ করেন প্রধানমন্ত্রী। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত নিরবিচ্ছিন্ন এই কর্মযজ্ঞ শুধু একটি দিনের বিবরণ নয়, এটি এক ধরনের নেতৃত্বের প্রতিচ্ছবি। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেখালেন, উৎসবের আনন্দ যতই গভীর হোক, দেশের কাজের কাছে তা কখনোই বড় নয়।



