হজে যেতে নিবন্ধন করেছেন ৭৬,৫৮০ বাংলাদেশী

এ বছর বাংলাদেশ থেকে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭২ হাজার ৩৪৪ জন এবং সরকারি ব্যবস্থাপনায় চার হাজার ৫৬৫ জন হজ পালন করবেন।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
হজে যেতে নিবন্ধন করেছেন ৭৬,৫৮০ বাংলাদেশী
হজে যেতে নিবন্ধন করেছেন ৭৬,৫৮০ বাংলাদেশী |সংগৃহীত

২০২৬ সালে হজে যেতে ৭৬ হাজার ৫৮০ জন বাংলাদেশী হজযাত্রী নিবন্ধন সম্পন্ন করেছেন।

ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, মোট ৭৬ হাজার ৫৮০ জনের মধ্যে ৭২ হাজার ৩৪৪ জন বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় এবং চার হাজার ২৬০ জন সরকারি ব্যবস্থাপনায় ২০২৬ সালে হজ পালনের জন্য নিবন্ধন করেছেন। এ বছর বাংলাদেশ থেকে মোট ৭৮ হাজার ৫০০ জন হজ পালনের সুযোগ দেয়া হয়েছে।

ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা মো: আবুবকর সিদ্দীক বলেন, ‘সাধারণ হজযাত্রীদের পাশাপাশি মেডিক্যাল টিম, হজ গাইড, প্রশাসনিক ও কারিগারি দলও সৌদি আরবে যাবেন হজযাত্রীদের সহায়তার জন্য। মন্ত্রণালয় তাদের তালিকা সৌদি কর্তৃপক্ষের অনুমোদনের জন্য পাঠিয়েছে।’

হজ অফিসের তথ্যমতে, এ বছর বাংলাদেশ থেকে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭২ হাজার ৩৪৪ জন এবং সরকারি ব্যবস্থাপনায় চার হাজার ৫৬৫ জন হজ পালন করবেন।

সৌদি সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী, ২০২৬ সালের হজযাত্রীদের চূড়ান্ত নিবন্ধন সম্পন্ন করার শেষ সময় ছিল ২০২৫ সালে ১৬ অক্টোবর। আর নিবন্ধন শুরু হয় একই বছর ২৭ জুলাই।

হজ অ্যাজেন্সি ও এয়ারলাইনসগুলোকে হজ ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত সকল নির্দেশনা কঠোরভাবে মানতে নির্দেশ দিয়েছে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়। ২০২৬ সালের হজযাত্রীদের ফ্লাইট আগামী ১৮ এপ্রিল থেকে শুরু হবে।

সৌদি সরকার সকল হজযাত্রীর জন্য মেডিক্যাল ফিটনেস বাধ্যতামূলক করেছে।

মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘হজযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো স্বাস্থ্য সচেতন থাকা এবং শারীরিক ও মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকা। সাধারণ স্বাস্থ্য সমস্যা মোকাবেলায় হজযাত্রীদের প্রস্তুতি থাকতে হবে।’

হজযাত্রীরা ই-হজ সিস্টেম, লাব্বাইক মোবাইল অ্যাপ, ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার, ইসলামী ফাউন্ডেশনের বিভাগীয় ও জেলা অফিস এবং বায়তুল মুকাররম হজ অফিস ও আশকোনা হজ অফিসের মাধ্যমে নিবন্ধন করেছেন।

বাংলাদেশী হজযাত্রী বহনের জন্য মোট তিনটি এয়ারলাইনস দায়িত্বে থাকবে। সেগুলো হলো–বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস, সৌদিয়া এয়ারলাইনস এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইনস।

নির্দেশনা অনুযায়ী, অ্যাজেন্সিগুলোকে প্রি-হজ ফ্লাইটের মধ্যবর্তী সময়ে ২০ শতাংশ হজযাত্রী পাঠাতে হবে এবং বাকিদের প্রথম ও শেষ পর্যায়ে পাঠাতে হবে।

মন্ত্রণালয় স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, কোনো অ্যাজেন্সি প্রি-হজ ফ্লাইটের প্রথম বা শেষ পর্যায়ের হজ ফ্লাইটে ৩০ শতাংশের কম এবং ৫০ শতাংশের বেশি টিকিট ইস্যু করতে পারবে না।

সকলকে নির্দেশনার আলোকে টিকিট ইস্যু ও ফ্লাইট পরিচালনা নিশ্চিত করার অনুরোধ জানিয়েছে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়। বাসস