ভূমি নিবন্ধন অটোমেশন প্রকল্পের পরিচালক হলেন মোরশেদ ইমতিয়াজ

ভূমি নিবন্ধন ব্যবস্থাকে ডিজিটাল ও আধুনিক করতে ৬৩২ কোটি ৬৯ লাখ টাকার অটোমেশন প্রকল্পের পরিচালক হিসেবে সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ মোরশেদ ইমতিয়াজ নিয়োগ পেয়েছেন। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে নিবন্ধন সেবা আরও দ্রুত, স্বচ্ছ ও সহজ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
নয়া দিগন্ত

ভূমি নিবন্ধন ব্যবস্থাপনা অটোমেশন’ প্রকল্পের পরিচালক (পিডি) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন আইন ও বিচার বিভাগের সংযুক্ত কর্মকর্তা ও সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ মোরশেদ ইমতিয়াজ।

দেশের ভূমি নিবন্ধন সেবাকে আরো আধুনিক, স্বচ্ছ ও ডিজিটাল করতে নেওয়া ৬৩২ কোটি ৬৯ লাখ ৩২ হাজার টাকা ব্যয়ের এ প্রকল্প নেয়া হয়েছে।

গতকাল মঙ্গলবার আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের পরিকল্পনা ইউনিট থেকে জারি করা এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়। আদেশে স্বাক্ষর করেছেন যুগ্মসচিব (পরিকল্পনা) মোহাম্মদ মেহেদী হাসান।

অফিস আদেশে বলা হয়েছে, ৬৩২ কোটি ৬৯ লাখ ৩২ হাজার টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে বাস্তবায়নাধীন ‘ভূমি নিবন্ধন ব্যবস্থাপনা অটোমেশন’ প্রকল্পটি দেশের ভূমি নিবন্ধন কার্যক্রমকে ডিজিটাল ও প্রযুক্তিনির্ভর করার লক্ষ্যে গ্রহণ করা হয়েছে। প্রকল্পটির বাস্তবায়নকাল নির্ধারণ করা হয়েছে ১ জুলাই ২০২৫ থেকে ৩০ জুন ২০৩০ পর্যন্ত।

প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য অনুমোদিত জনবল কাঠামোর আওতায় সংযুক্ত কর্মকর্তা (সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ) মোহাম্মদ মোরশেদ ইমতিয়াজকে প্রেষণে প্রকল্প পরিচালক হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

তিনি প্রকল্পের সার্বিক পরিকল্পনা, বাস্তবায়ন, তদারকি এবং অগ্রগতি মূল্যায়নের দায়িত্ব পালন করবেন।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ভূমি নিবন্ধন কার্যক্রমে ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়বে এবং দলিল নিবন্ধন প্রক্রিয়া আরও দ্রুত, সহজ ও স্বচ্ছ হবে।

একইসাথে সেবাগ্রহীতাদের সময় ও ব্যয় কমানোর পাশাপাশি জালিয়াতি ও অনিয়ম প্রতিরোধেও এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

অফিস আদেশের অনুলিপি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পরিকল্পনা কমিশনের ভৌত অবকাঠামো বিভাগের সদস্য, ভূমি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ও অর্থ বিভাগের সচিবসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দফতরে পাঠানো হয়েছে।

সরকারের ডিজিটাল রূপান্তর কর্মসূচির অংশ হিসেবে ভূমি নিবন্ধন ব্যবস্থাকে আধুনিকায়নের এ প্রকল্পকে গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

প্রকল্পটি সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে ভূমি নিবন্ধন সেবায় গতি, জবাবদিহি ও স্বচ্ছতা আরও বাড়বে বলে সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা।

সূত্র : বাসস