কৃষি তথ্য সার্ভিসের সেমিনার

২০৫০ সালে খাদ্য চাহিদা দ্বিগুণ হবে

‘কৃষিবিজ্ঞানীসহ সংশ্লিষ্টদের ২০৫০ সালের খাদ্য চাহিদা এবং অন্যান্য চালেঞ্জ উত্তরণে কাজ করতে হবে।’

নিজস্ব প্রতিবেদক
রাজধানীর খামারবাড়িতে কৃষি তথ্য সার্ভিসের সেমিনার
রাজধানীর খামারবাড়িতে কৃষি তথ্য সার্ভিসের সেমিনার |নয়া দিগন্ত

২০৫০ সালে দেশের জনসংখ্যা হবে ২৩ কোটির ওপরে। আবাদি জমি কমবে। তাই চাপ বাড়বে খাদ্য উৎপাদনে। দেশে এখন যে পরিমাণ খাদ্য উৎপাদন হচ্ছে, এর চেয়ে দ্বিগুণ খাদ্য চাহিদা হবে। সবকিছু মাথায় রেখে প্রধান উপদেষ্টার নির্দেশে কৃষি মন্ত্রণালয় ২৫ বছর মেয়াদী কৃষি পরিকল্পনা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন। সেই আলোকে কৃষি মন্ত্রণালয়ভুক্ত প্রতিষ্ঠান ও সংস্থার সমন্বয়ে সমন্বিত একটি মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হচ্ছে।

শনিবার (২৪ মে) রাজধানীর খামারবাড়িতে কৃষি তথ্য সার্ভিস (এআইএস) আয়োজিত এক সেমিনারে এসব তথ্য উঠে আসে।

সেমিনারে বক্তারা বলেন, ‘কৃষিবিজ্ঞানীসহ সংশ্লিষ্টদের ২০৫০ সালের খাদ্য চাহিদা এবং অন্যান্য চালেঞ্জ উত্তরণে কাজ করতে হবে।’

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কৃষি মন্ত্রণালয়য়ের অতিরিক্ত সচিব ড. মো: মাহমুদুর রহমান। এআইএস পরিচালক মো: মসীহুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের (ডিএই) পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) মো: হাবিবউল্লাহ। ডিএই, ব্রি, বারিসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা ও বিজ্ঞানী, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং মাঠ পর্যায়ের এআইএস কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সেমিনারে অংশ নেন।

ড. মো: মাহমুদুর রহমান বলেন, ‘আমরা ২৫ বছর মেয়াদী কৃষি মহাপরিকল্পনা নিচ্ছি। কৃষি মন্ত্রণালয়ভুক্ত সব সংস্থা থেকে পরিকল্পনা নিয়ে সমন্বিত একটি মহাপরিকল্পনা করা হবে।’

তিনি বলেন, ‘কৃষি তথ্য সার্ভিস কৃষি মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র। কৃষির সামগ্রিক তথ্যভান্ডার হওয়ার কথা। আমি একজন কৃষক হিসেবে কৃষি তথ্য সার্ভিসের (এআইএস) কাছ থেকে কৃষির সব তথ্য একসাথে দেখতে চাই। এআইএসকে সেভাবেই আগাতে হবে।’

তিনি আরো বলেন, ‘কৃষি নিয়ে বিভিন্ন তথ্য প্রকাশ হচ্ছে। কিন্তু কোনটা সঠিক, কোনটা সঠিক নয় তা নিয়ে সংশয় থাকে। কৃষি তথ্য সরবরাহের ক্ষেত্রে একমাত্র অথেনটিক মাধ্যম হতে হবে এআইএসকে।’

কৃষি তথ্য সার্ভিসকে আরো আধুনিক ও যুগোপযোগী করে গড়ে তোলার ওপর জোর দেন এ কর্মকর্তা।