নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম জানিয়েছেন, দেশের নৌপথের নাব্যতা সঙ্কট নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ নৌপথগুলোতে প্রতিবছর নিয়মিত সংরক্ষণ ড্রেজিং কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। এর ফলে বর্তমানে শুষ্ক মৌসুমে নাব্য নৌপথের দৈর্ঘ্য ছয় হাজার দুই শ’ কিলোমিটার এবং বর্ষা মৌসুমে আট হাজার কিলোমিটারে পৌঁছেছে।
আজ বৃহস্পতিবার সংসদে জামালপুর-৩ আসনের সরকারি দলের সদস্য মো: মোস্তাফিজুর রহমান বাবুলের টেবিলে উপস্থাপিত এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।
মন্ত্রী বলেন, নৌপথের উন্নয়ন, নাব্যতা বৃদ্ধি এবং নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে।
চলমান প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে পুরাতন ব্রহ্মপুত্র, ধরলা, তুলাই ও পুনর্ভবা নদীর নাব্যতা উন্নয়ন ও পুনরুদ্ধার (প্রথম সংশোধিত) প্রকল্প। এছাড়া মিঠামইন উপজেলার ঘোড়াউতরা ও বোলাই-শ্রীগাং নদীর অংশবিশেষ, ইটনা উপজেলার ধনু ও নামাকুড়া নদী এবং অষ্টগ্রাম উপজেলার ধলেশ্বরী নদীর অংশবিশেষের নাব্যতা উন্নয়ন ও পুনরুদ্ধার (প্রথম সংশোধিত) প্রকল্প বাস্তবায়নাধীন রয়েছে।
তিনি জানান, জিনাই, ঘাঘট, বংশী ও নাগদা নদীর প্রবাহ পুনরুদ্ধার, শুষ্ক মৌসুমে নদীর প্রবাহ নিশ্চিতকরণ, নৌপথ উন্নয়ন এবং বন্যা ব্যবস্থাপনা শীর্ষক প্রকল্পও চলমান রয়েছে।
নৌপরিবহন মন্ত্রী বলেন, দেশের নৌযোগাযোগ ব্যবস্থা আরো উন্নত করতে এবং নাব্যতা বৃদ্ধির ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ৭০ কিলোমিটার নৌপথ পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
সূত্র : বাসস



