বিশ্ব আত্মহত্যা প্রতিরোধ দিবস বৃহস্পতিবার

আত্মহত্যা প্রতিরোধ : আশার কথা বলি, জীবন বাঁচাই

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, প্রতি বছর প্রায় সাত লাখ মানুষ আত্মহত্যা করে। ১৫-২৯ বছর বয়সী তরুণদের মৃত্যুর দ্বিতীয় প্রধান কারণ এটি। উন্নয়নশীল দেশের পাশাপাশি উন্নত দেশগুলোতেও আত্মহত্যার হার দ্রুত বাড়ছে। আত্মহত্যা প্রতিরোধে ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক এবং রাষ্ট্রীয় উদ্যোগের সমন্বয় প্রয়োজন।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
বিশ্ব আত্মহত্যা প্রতিরোধ দিবস
বিশ্ব আত্মহত্যা প্রতিরোধ দিবস |সংগৃহীত

বিশ্ব আত্মহত্যা প্রতিরোধ দিবস আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর)। আত্মহত্যা প্রতিরোধে বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে দিবসটি পালন করা হবে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ২০০৩ সাল থেকে প্রতি বছর ১০ সেপ্টেম্বর দিবসটি পালিত হয়ে আসছে।

দিবসটি পালনে আন্তর্জাতিক আত্মহত্যা প্রতিরোধ সংস্থার সাথে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও বৈশ্বিক মানসিক স্বাস্থ্য ফেডারেশন একসাথে কাজ করে। এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য, ‘আত্মহত্যা সম্পর্কে দৃষ্টিভঙ্গি বদলাই- নীরবতা ভাঙি, আশার কথা বলি, জীবন বাঁচাই।’

ল্যানসেটের গবেষণায় দেখা গেছে, ১৯৯০ সালে বাংলাদেশে এক লাখ মানুষের মধ্যে আট দশমিক একজন আত্মহত্যা করেছেন। ২০২১ সালে তা কমে তিন দশমিক ৬৬ জনে দাঁড়ায়। বাংলাদেশে ২০২১ সালে আত্মহত্যা করেন ছয় হাজার ৫০ জন।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির আর্থিক সহায়তায় জাতীয় জরিপ (২০২২-২৩) করেছে সেন্টার ফর ইনজুরি প্রিভেনশন অ্যান্ড রিসার্চ, বাংলাদেশ (সিআইপিআরবি)। জরিপে দেখা যায়, ২০২৩ সালে বাংলাদেশে ২০ হাজার ৫০৫ জন আত্মহত্যা করেছেন। প্রতিদিন গড়ে ৫৬ জন দেশের কোথাও না কোথাও আত্মহত্যা করেছেন। প্রতি লাখে আত্মহত্যা করেছিলেন ১২ দশমিক চার জন। ২০১৬ সালে আত্মহত্যা করেছিলেন ২৩ হাজার ৮৬৮ জন; প্রতি লাখে ১৪ দশমিক সাতজন।

বিশ্ব আত্মহত্যা প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ মেডিক্যাল স্টুডেন্টস সোসাইটি (বিএমএসএস), বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) মনোরোগবিদ্যা বিভাগ, জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের (এনআইএমএইচ) র‌্যালি ও সায়েন্টিফিক সেমিনারের আয়োজন করেছে।

এছাড়াও দিবসটি উপলক্ষে ইউনিভার্সিটি উইমেন্স ফেডারেশন আগামীকাল সকালে র‌্যালি ও সেমিনারের আয়োজন করেছে।

সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো: সাখাওয়াত হোসেন।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, প্রতি বছর প্রায় সাত লাখ মানুষ আত্মহত্যা করে। ১৫-২৯ বছর বয়সী তরুণদের মৃত্যুর দ্বিতীয় প্রধান কারণ এটি। উন্নয়নশীল দেশের পাশাপাশি উন্নত দেশগুলোতেও আত্মহত্যার হার দ্রুত বাড়ছে। আত্মহত্যা প্রতিরোধে ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক এবং রাষ্ট্রীয় উদ্যোগের সমন্বয় প্রয়োজন। বাসস