ঢাকার সুপ্রিম কোর্ট-সংলগ্ন জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে ঈদুল আজহার প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। নামাজ শেষে সমগ্র মুসলিম উম্মাহসহ দেশ-জাতির কল্যাণ, সুখ-শান্তি ও সমৃদ্ধি এবং বিশ্বের শান্তি কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়েছে। বিশেষ করে ফিলিস্তিন ও ইরানের নির্যাতিত মুসলমানদের জন্য দোয়া করা হয়।
বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর জাতীয় ঈদগাহে ঈদের নামাজের পর খুতবা শেষে মোনাজাত পরিচালনা করেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব হাফেজ মাওলানা আবদুল মালেক।
জামাতে নামাজ আদায় করেছেন রাষ্ট্রপতি মো: সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও জাতীয় সংসদের স্পিকার, প্রধান বিচারপতি, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, ঢাকাস্থ বিভিন্ন মুসলিম দেশের কূটনীতিক, ঊর্ধ্বতন সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তা, বিশিষ্ট নাগরিকসহ সর্বস্তরের মুসল্লিরা ঈদের নামাজ আদায় করেছেন।
জামাত শেষে সমগ্র মুসলিম উম্মাহসহ দেশ ও জাতির কল্যাণ, সুখ-শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে দোয়া করা হয়। বিশেষ করে ফিলিস্তিন ও ইরানের নির্যাতিত মুসলমানদের জন্য দোয়া করা হয়।
পাশাপাশি সম্প্রতি বিশ্ব ও বাংলাদেশজুড়ে মহামারি হামের ভাইরাসে আক্রান্ত ও মৃতদের জন্য দোয়া করা হয়। এছাড়া মোনাজাতে সবার গুনাহ মাফ ও মৃতব্যক্তির কবরের আজাব মাফ চাওয়া হয়েছে। বিশ্বশান্তির জন্য দোয়া করা হয়।
এর আগে, জাতীয় ঈদগাহে ঈদের প্রধান জামাতের খুতবায় ‘মনের পশুকে জবাই’ করার আহ্বান জানিয়ে দেশ ও জাতির সমৃদ্ধি ও অগ্রগতি কামনা করেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব হাফেজ মাওলানা আবদুল মালেক।
এবার জাতীয় ঈদগাহের ১২১টি কাতারে প্রায় ৩৫ হাজার মুসল্লি একসাথে নামাজ আদায় করার ব্যবস্থা করা হয়। নারীদের জন্য রাখা হয় আলাদা প্রবেশপথ, ওজুখানা ও নামাজের বিশেষ ব্যবস্থা। এর মধ্যে অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের জন্য আলাদা কাতার রাখা হয়েছিল। অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের মধ্যে প্রায় ২৫০ জন পুরুষ ও ৮০ জন নারীর নামাজ আদায়ের ব্যবস্থা ছিল।
সাধারণ মুসল্লিদের মধ্যে প্রায় ৩১ হাজার পুরুষ ও তিন হাজার ৫০০ নারীর জন্য জায়গা রাখা হয়েছিল। নারীদের জন্য আলাদা প্রবেশপথ ও নামাজের জায়গার ব্যবস্থা করা হয়।
সূত্র : ইউএনবি



