টানা ৮ ঘণ্টার বেশি গণপরিবহন চালালে লাইসেন্স বাতিলের হুঁশিয়ারি

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বিদ্যমান মোটরযান আইন অনুযায়ী কোনো চালক একটানা পাঁচ ঘণ্টার বেশি গাড়ি চালাতে পারবেন না। এরপর অন্তত আধা ঘণ্টা বিশ্রাম নিয়ে সর্বোচ্চ আরো তিন ঘণ্টা গাড়ি চালানো যাবে। অর্থাৎ একজন চালক দিনে সর্বোচ্চ আট ঘণ্টা এবং সপ্তাহে ৪৮ ঘণ্টার বেশি দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
নির্ধারিত কর্মঘণ্টা মানতে চালকদের সতর্ক করল বিআরটিএ
নির্ধারিত কর্মঘণ্টা মানতে চালকদের সতর্ক করল বিআরটিএ |সংগৃহীত

একটানা দীর্ঘ সময় গণপরিবহন চালানোর কারণে চালকদের ক্লান্তি ও ঘুমের প্রবণতা বাড়ছে, যা সড়ক দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়াচ্ছে বলে সতর্ক করেছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)। এ পরিস্থিতিতে সংস্থাটি নির্ধারিত কর্মঘণ্টা মেনে যানবাহন চালানোর নির্দেশ দিয়েছে।

শনিবার (২৩ মে) বিআরটিএ সদর দফতর থেকে জারি করা এক সতর্কীকরণ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বিদ্যমান মোটরযান আইন অনুযায়ী কোনো চালক একটানা পাঁচ ঘণ্টার বেশি গাড়ি চালাতে পারবেন না। এরপর অন্তত আধা ঘণ্টা বিশ্রাম নিয়ে সর্বোচ্চ আরো তিন ঘণ্টা গাড়ি চালানো যাবে। অর্থাৎ একজন চালক দিনে সর্বোচ্চ আট ঘণ্টা এবং সপ্তাহে ৪৮ ঘণ্টার বেশি দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, নির্ধারিত সময়ের বেশি গাড়ি চালালে দুর্ঘটনার আশঙ্কা বেড়ে যায়। তাই সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে চালক ও মালিকদের নির্ধারিত কর্মঘণ্টা মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে।

নির্দেশনা অমান্য করলে সংশ্লিষ্ট চালকের ড্রাইভিং লাইসেন্স ও যানবাহনের রেজিস্ট্রেশন বাতিল করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে বিআরটিএ।

এছাড়া, যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক রাখতে প্রয়োজনে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষের নম্বরে যোগাযোগ করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।