বাংলাদেশ রেলওয়েকে লোকসানী প্রতিষ্ঠান হিসেবে আর দেখতে চায় না সরকার। একে ঢেলে সাজাতে হবে এবং লাভজনক ও সেবামূলক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে হবে।
বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) রেলভবনে কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম এসব কথা বলেন।
সভায় রেলওয়ের লোকসান কমিয়ে একে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করার লক্ষ্যে তিনি রেলকে ঢেলে সাজানোর প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
তিনি বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী রেলের উন্নয়ন ও রেল যাত্রীসেবার মান উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি’র নির্বাচনী ইশতেহারে রেলকে জাতীয় পরিবহনের কেন্দ্রীয় মেরুদণ্ড হিসেবে পুনরুজ্জীবিত করার কথা বলা হয়েছে।’
টিকিট কালোবাজারী প্রতিরোধ, দুর্নীতি দমন ও যাত্রীসেবার মান উন্নয়নের জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছেন বলে তিনি মতবিনিময় সভায় জানান।
আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে নির্বিঘ্ন ও হয়রানিমুক্ত রেলযাত্রা নিশ্চিত করার জন্য তিনি সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেন। একইসাথে তিনি আগামী ১৮০ দিনের মধ্যে বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারের বাস্তবায়নযোগ্য একটি কর্মপরিকল্পনা তৈরির নির্দেশনা দেন। এছাড়া ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে ট্রেন যাত্রার সময় কিভাবে কমিয়ে আনা যায় তা আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে খুঁজে বের করতে বলেন এবং সে অনুযায়ী কার্যক্রম গ্রহণ করবেন বলে জানান।
মতবিনিময় সভায় সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশীদ ও মো: রাজীব আহসান বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো: ফাহিমুল ইসলামের সভাপতিত্বে আয়োজিত এ মতবিনিময় সভায় বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক মো: আফজাল হোসেনসহ রেলপথ মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।



