বিকেলে মালয়েশিয়ার উদ্দেশে রওনা হবেন প্রধানমন্ত্রী

পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম জানান, এ সফরকে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব জোরদার, বিদেশী বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং আঞ্চলিক সংযোগ বৃদ্ধির একটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান |সংগৃহীত

মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের আমন্ত্রণে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ বিকেলে এক সরকারি সফরে মালয়েশিয়ার উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করবেন।

রোববার বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি নির্ধারিত ফ্লাইটে তিনি কুয়ালালামপুরের উদ্দেশে রওনা হবেন।

মালয়েশিয়া সফর শেষে তিনি সরাসরি চীনে যাবেন, যেখানে প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং-এর আমন্ত্রণে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে অংশ নেবেন।

এর আগে, শনিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম জানান, এ সফরকে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব জোরদার, বিদেশী বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং আঞ্চলিক সংযোগ বৃদ্ধির একটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, ফেব্রুয়ারিতে সরকার ক্ষমতায় আসার পর এটিই প্রধানমন্ত্রীর প্রথম বিদেশ সফর।

চীন সফরকালে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে ১৩টি সমঝোতা স্মারক, দু’টি চুক্তি, একটি কর্মপরিকল্পনা এবং একটি প্রোটোকলসহ মোট ১৫ থেকে ১৭টি দ্বিপক্ষীয় চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এ সময় বহুল আলোচিত তিস্তা প্রকল্প নিয়েও আলোচনা হবে।

প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী প্রতিনিধিদল তুলনামূলকভাবে ছোট রাখা হয়েছে, যেখানে ২৭ থেকে ২৮ জন সদস্য রয়েছেন।

পররাষ্ট্র সচিব জানান, ‘আমরা এটিকে একটি যুক্তিসঙ্গত পর্যায়ে রাখার চেষ্টা করেছি।’

মালয়েশিয়া সফরে বাণিজ্য সম্প্রসারণ, শ্রমবাজারে সহযোগিতা এবং বিনিয়োগের সুযোগ বৃদ্ধির বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে।

অন্যদিকে চীন সফরে অবকাঠামো, প্রযুক্তি, সংযোগ এবং উন্নয়ন খাতে সহযোগিতা আরো গভীর করার অঙ্গীকার তুলে ধরা হবে।

প্রধানমন্ত্রী ২৩ থেকে ২৫ জুন লিয়াওনিং প্রদেশের দালিয়ানে অনুষ্ঠিতব্য ‘নিউ চ্যাম্পিয়নস’-এর ১৭তম বার্ষিক সম্মেলনে (সামার দাভোস ফোরাম) অংশ নেবেন। ‘ইনোভেটিং অ্যাট স্কেল’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত এ ফোরামে ৯০টিরও বেশি দেশ ও অঞ্চলের ১ হাজার ৭০০-এর বেশি প্রতিনিধি অংশ নেবেন। সেখানে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবণতা, প্রযুক্তিগত অগ্রগতি এবং উদ্ভাবননির্ভর প্রবৃদ্ধি নিয়ে আলোচনা হবে।

প্রধানমন্ত্রী আগামী ২৫ জুন চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং-এর সাথে বৈঠক করবেন এবং ২৬ জুন প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং-এর সাথে সাক্ষাৎ করবেন। সরকারি সফর শেষে তিনি ২৬ জুন রাতে দেশে ফেরার কথা রয়েছে।