চট্টগ্রাম ও কুমিল্লায় দগ্ধদের দেখতে জাতীয় বার্নে দুই মন্ত্রী

চট্টগ্রাম ও কুমিল্লার গ্যাস বিস্ফোরণে আহতদের দেখতে সরদার মো: সাখাওয়াত হোসেন ও আসাদুল হাবিব দুলু জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে যান; আহতদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করার এবং মেয়াদোত্তীর্ণ গ্যাস সিলিন্ডার নিয়ন্ত্রণের পদক্ষেপ নেয়ার কথা জানান তারা।

নিজস্ব প্রতিবেদক
চট্টগ্রাম ও কুমিল্লায় দগ্ধদের দেখতে জাতীয় বার্নে দুই মন্ত্রী
চট্টগ্রাম ও কুমিল্লায় দগ্ধদের দেখতে জাতীয় বার্নে দুই মন্ত্রী |সংগৃহীত

চট্টগ্রামের হালিশহরে গ্যাসলাইনের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ ও কুমিল্লার দাউদকান্দি এলাকায় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণের ঘটনায় আহতদের দেখতে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে যান স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো: সাখাওয়াত হোসেন এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু।

মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে পৌঁছান তারা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক অধ্যাপক ডা: মো: নাসির উদ্দীন। পরে তিনি আহতদের বর্তমান অবস্থা ও চলমান চিকিৎসা কার্যক্রম সম্পর্কে তাদের বিস্তারিত অবহিত করেন।

এ সময় সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো: সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেন, আমি তাদের দেখে এসেছি, ভর্তি রোগীদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করা হবে। আমরা এখানে চিকিৎসকদের বলেছি, তাদের সর্বোচ্চ চিকিৎসা দেয়ার জন্য।

অন্যদিকে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু সাংবাদিকদের বলেন, গ্যাস লিকেস থেকে সারাবছরই কোথাও না কোথাও দুর্ঘটনা ঘটে। চট্টগ্রামের হালিশহরে গতকাল একটি ঘটনা ঘটেছে এবং আজকে সকালে কুমিল্লার দাউদকান্দিতে আরো একটি ঘটনা ঘটেছে। আমরা শিল্প মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, দুর্যোগ ও ত্রাণ ব্যবস্থা মন্ত্রণালয়- এই তিনটি মন্ত্রণালয় একসাথে বিষয়টি কাজ করতে চাই। যাতে মেয়াদোত্তীর্ণ গ্যাস সিলিন্ডারকে নিয়মের মধ্যে নিয়ে আসা যায়। আমরা অল্প সময়ের মধ্যে তিন মন্ত্রণালয় বসে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করব, কিভাবে এই দুর্ঘটনাকে কমিয়ে আনা যায়।

সাংবাদিকদের তিনি আরো জানান, এই ঘটনাটি খুবই মর্মান্তিক, শিশু-বাচ্চাসহ নারীরা আহত হয়েছেন। আমাদের মন্ত্রণালয় থেকে যে ধরনের সাপোর্ট লাগে আমরা সেই ধরনের সাপোর্ট দেবো।

পরে প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক অধ্যাপক ডা: নাসির উদ্দিন বলেন, আজকেও সাহরির পরে শিশু-বৃদ্ধসহ বার্ন হয়েছে। আমরা এই ধরনের ঘটনা আমরা প্রায়ই পাই। আমাদের এখানে চিকিৎসায় তাদের কোনো সমস্যা হবে না। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় থেকে আমরা চিকিৎসার ব্যাপারে সাহায্য পাব। আমাদের চিকিৎসায় কোনো সমস্যা হবে না, সরকারের পক্ষ থেকে আমরা সহযোগিতা পাব।

তিনি আরো বলেন, আমাদের চট্টগ্রাম থেকে আগেই বিষয়টি জানানো হয়। তো সেই অনুযায়ী আমরা প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছিলাম। আমাদের চিকিৎসকরা বিষয়টি জানতেন এবং আমাদের অতিরিক্ত জনবল ডিপ্লয় করা ছিল। অনেকের (দগ্ধদের) শ্বাসনালী পুড়ে গেছে, আইসিইউ-এইচডিইউতে চিকিৎসা চলছে। বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ভাগ করে তাদেরকে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। পরবর্তীতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও ওই এলাকার এমপি আমাদের সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছেন।