বাণিজ্যমন্ত্রীর সাথে ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মার বৈঠক

‘হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে গেলে বিশ্ব বাণিজ্যে তার প্রভাব পড়বে, যা আমাদের ওপরও আসতে পারে। তবে আশার কথা হলো, দেশে বর্তমানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের পর্যাপ্ত মজুত ও জোগান রয়েছে।’

নয়া দিগন্ত অনলাইন
বাণিজ্যমন্ত্রীর সাথে ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মার বৈঠক
বাণিজ্যমন্ত্রীর সাথে ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মার বৈঠক |সংগৃহীত

বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, গত দেড় বছরে তৈরি হওয়া বিভিন্ন বাণিজ্যিক প্রতিবন্ধকতা দূর করে ভারতের সাথে আগামী দিনে সম্পর্ককে আরো দৃঢ় ও গতিশীল করতে যৌথভাবে উদ্যোগ নেয়া হবে।

সোমবার (২ মার্চ) সচিবালয়ে বাণিজ্যমন্ত্রীর অফিস কক্ষে ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মার সাথে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির সাংবাদিকদের বলেন, দু’দেশের দীর্ঘদিনের বাণিজ্যিক সম্পর্কে কিছু জটিলতা তৈরি হয়েছিল, তা কাটিয়ে ওঠার সময় এসেছে। এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন বা উত্তরণ পেছানোর প্রক্রিয়া থেকে শুরু করে নিত্যপণ্যের জোগান নিশ্চিত করা-সবক্ষেত্রেই পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে বর্তমানে ১১ বিলিয়ন ডলারের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য রয়েছে। তবে গত দেড় বছরে কিছু প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয়েছে, যা আমরা হাইকমিশনারের কাছে সুনির্দিষ্টভাবে তুলে ধরেছি। আমরা আলোচনা করেছি, কীভাবে আগামী দিনে এই বাণিজ্যিক সম্পর্ককে আরো সহজ ও ভালো করা যায়।

মন্ত্রী আরো জানান, এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন পেছানোর বিষয়ে যে চিঠি দেয়া হয়েছিল, সেটি বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। ভারত এই প্রক্রিয়ায় সহযোগিতামূলক অবস্থানে থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে।

মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান উত্তেজনার প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে গেলে বিশ্ব বাণিজ্যে তার প্রভাব পড়বে, যা আমাদের ওপরও আসতে পারে। তবে আশার কথা হলো, দেশে বর্তমানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের পর্যাপ্ত মজুত ও জোগান রয়েছে।

এ সময় বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী মো: শরীফুল আলম, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবুর রহমান এবং অতিরিক্ত সচিব (রফতানি) মো: আবদুর রহিম খান উপস্থিত ছিলেন। বাসস