আচরণবিধি ভঙ্গে ৯ লাখের বেশি জরিমানা

প্রত্যেকটা নমিনেশন পেপারের সাথে দলীয় প্রধানের অঙ্গীকারনামা রয়েছে, প্রার্থীর অঙ্গীকারনামা রয়েছে। এই অঙ্গীকারনামার পরিপ্রেক্ষিতে প্রত্যেক রিটার্নিং অফিসার এই প্রার্থীদের একত্র করে তাদের অঙ্গীকার করিয়েছে যে আমরা আচরণবিধি পরিপন্থী কাজ করব না। এটি কিন্তু এখানে একটা ভালো ফল দিয়েছে।

বিশেষ সংবাদদাতা
নির্বাচন কমিশন
নির্বাচন কমিশন |ইন্টারনেট

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীদের আচরণবিধি ভঙ্গের অভিযোগে নয় লাখ পাঁচ হাজার পাঁচ শ’ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। তারা কার্যক্রম পরিচালনা করে আচরণ বিধির ১৪৪টি ভঙ্গ করেছে বলে নির্বাচন কমিশনার (ইসি) আনোয়ারুল ইসলাম সরকার জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, গত ৮ থেকে ২৬ জানুযারি পর্যন্ত বিধি ভঙ্গে মামলা হয়েছে ৯৪টি।

আজ মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর আগারগাঁওস্থ নির্বাচন ভবনে নিজের দফতরে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে ইসি আনোয়ারুল এই তথ্যগুলো জানান।

তিনি বলেন, নির্বাচনে তিন শ’টি আসনের মধ্যে মাত্র ১২৮টিতে ১৪৪টি আচরণবিধি ভঙ্গ হয়েছে। প্রত্যেকটা নমিনেশন পেপারের সাথে দলীয় প্রধানের অঙ্গীকারনামা রয়েছে, প্রার্থীর অঙ্গীকারনামা রয়েছে। এই অঙ্গীকারনামার পরিপ্রেক্ষিতে প্রত্যেক রিটার্নিং অফিসার এই প্রার্থীদের একত্র করে তাদের অঙ্গীকার করিয়েছে যে আমরা আচরণবিধি পরিপন্থী কাজ করব না। এটি কিন্তু এখানে একটা ভালো ফল দিয়েছে।

ইসি আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, আপনারা লক্ষ্য করবেন যে অতীতের নির্বাচনের তুলনায় এইবারের নির্বাচনে আমি বলব না শতভাগ আচরণবিধি কার্যক্রম হয়েছে। কিন্তু আপনারা রাস্তাঘাটে মাঠে ময়দানে বাজারে গেলে নিজেরাই বুঝতে পারেন যে এত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকার কারণ কি? কারণ হচ্ছে, মনোনয়নপত্রের সাথে প্রার্থী এবং তারা অঙ্গীকার করেছেন। সে অঙ্গীকারের বহিঃপ্রকাশ, পাশাপাশি আমাদের রিটার্নিং অফিসার এবং মাঠে যারা নির্বাচনী কাজে রয়েছেন তারা কিন্তু উদ্বুদ্ধকরণ কার্যক্রম করেছেন।

তিনি বলেন, এই উদ্বুদ্ধকরণের ফলশ্রুতিতেই আমরা আচরণবিধি প্রায় শতভাগ এনসিওর করতে পেরেছি বলে নির্বাচন কমিশন মনে করে। সেজন্যই সংখ্যাটা এখানে মুখ্য না। মুখ্য হচ্ছে মাঠে-ঘাটে আমার পরিবেশটা কী। মাঠে-ঘাটের পরিবেশটা আমরা বলব যে এই দেশে অনেকগুলো নির্বাচন হয়েছে সেই নির্বাচনের তুলনায় সবচেয়ে ভালো পরিবেশ এখন পর্যন্ত বিরাজমান।