পেপার অ্যান্ড প্যাকেজিং প্রোডাক্টসকে বর্ষপণ্য ঘোষণা

রফতানি প্রসার ও প্রণোদনামূলক কর্মকাণ্ডকে বেগবান করতে প্রতি বছর একটি পণ্যকে ‘বর্ষপণ্য’ বা প্রোডাক্ট অব দ্য ইয়ার হিসেবে ঘোষণা করা হয়। এ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ঘোষিত পণ্যের উৎপাদন ও বিপণন উৎসাহিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হয়। এবার ‘পেপার অ্যান্ড প্যাকেজিং প্রোডাক্টস’-কে ২০২৬ সালের বর্ষপণ্য হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
৩০তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কথা বলছেন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন
৩০তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কথা বলছেন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন |সংগৃহীত

বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন ‘পেপার অ্যান্ড প্যাকেজিং প্রোডাক্টস’-কে বর্ষপণ্য ঘোষণা করেছেন।

শনিবার (৩ জনিুয়ারি) উপদেষ্টা পূর্বাচলে বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে ৩০তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলার উদ্বোধনকালে সভাপতির বক্তৃতায় এ ঘোষণা দেন।

রফতানি প্রসার ও প্রণোদনামূলক কর্মকাণ্ডকে বেগবান করতে প্রতি বছর একটি পণ্যকে ‘বর্ষপণ্য’ বা প্রোডাক্ট অব দ্য ইয়ার হিসেবে ঘোষণা করা হয়। এ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ঘোষিত পণ্যের উৎপাদন ও বিপণন উৎসাহিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হয়। এবার ‘পেপার অ্যান্ড প্যাকেজিং প্রোডাক্টস’-কে ২০২৬ সালের বর্ষপণ্য হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।

উপদেষ্টা বলেন, ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলা দীর্ঘ দিন ধরে এমন একটি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করছে যা পণ্যের উৎপাদককে ভোক্তার সাথে, উদ্যোক্তাকে বিনিয়োগকারীর সাথে এবং বাংলাদেশকে বিশ্ববাজারের সাথে সংযুক্ত করছে। এ মেলায় উদ্যোক্তাদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি আরো বলেন, উদ্যোক্তারা পণ্য ও সেবার গুণগত মান, উদ্ভাবন এবং প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা প্রদর্শনের মাধ্যমে দেশের ভাবমূর্তি তুলে ধরেন। মেলায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে নতুন বাজার সম্পর্কে ধারণা, আন্তর্জাতিক মান ও প্রযুক্তির সাথে পরিচিতি এবং পণ্যের মান উন্নয়নের সুযোগ সৃষ্টি হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

উপদেষ্টা বলেন, ‘ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলা দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যে এক অন্যতম মাইলফলক। এটি নিছক পণ্যের প্রদর্শনী নয়; বরং বাংলাদেশের নতুন উদ্যোগ, উদ্ভাবন এবং বাণিজ্যিক উন্নয়নের প্রদর্শনী।’

দেশের রফতানি পণ্য বহুমুখীকরণের পদক্ষেপ হিসেবে সরকার নানামুখী কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। এর মধ্যে রফতানিতে অবদান ও সম্ভাবনার বিষয় বিবেচনায় বিভিন্ন পণ্যখাতকে যথাক্রমে ‘সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার খাত’ ও ‘বিশেষ অগ্রাধিকার খাত’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়। বাসস