আন্তর্জাতিক মজলিসে তাহাফ্ফুজে খতমে নবুওয়াত বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে সংগঠনের পক্ষ থেকে কাদিয়ানীদের অমুসলিম ঘোষণার দাবি করা হয়।
সোমবার (৬ জুলাই) রাজধানী ঢাকার খিলগাঁও মাখজানুল উলুম মাদরাসায় বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের মহাসচিব শায়খুল হাদীস মাওলানা মহিউদ্দিন রব্বানী।
সভায় উপস্থিত ছিলেন ছারছিনার পীর শাহ সাইফুল্লাহ সিদ্দিকী, মাওলানা হাবিবুল্লাহ মিয়াজী, মাওলানা জহুরুল ইসলাম, মাওলানা আব্দুল কাইয়ুম সুবহানী, মাওলানা কেফায়েতুল্লাহ আজহারী, মাওলানা মুজিবুর রহমান হামিদী, মাওলানা ইউনুস ঢালী, মাওলানা এনামুল হক মুসা, মাওলানা মইনুল ইসলাম, মাওলানা সাব্বির আহমাদ, মাওলানা আব্দুল কাইয়ুম, মাওলানা রাশেদ বিন নূর, মুফতি সুলতান মহিউদ্দিন, মুফতী বাকী বিল্লাহ, মাওলানা জুবায়ের রশিদ, মাওলানা সাইফুল ইসলাম সুনামগঞ্জী, মাওলানা আজিজুর রহমান হেলাল, মাওলানা আবদুল্লাহ আল মাসউদ খান, মাওলানা নুর মোহাম্মদ আজিজী, মাওলানা কামাল উদ্দিন, মুফতী আলআমিন ও মুফতি মাহমুদুল হাসান প্রমুখ।
সভায় রংপুরের বদরগঞ্জ উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নের একটি মসজিদে জুমার নামাজের পর খতমে নবুওয়ত বিষয়ক আলোচনা অনুষ্ঠানে পুলিশ বাধা দেয়ার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বলা হয়, বদরগঞ্জ উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নের কিছু মুসলমান কাদিয়ানী সম্প্রদায়ের বিভিন্ন ধরনের হয়রানি ও নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন। সেখানে মুসলমানদের সম্পত্তি জবরদখল এবং ধর্মান্তরের অপচেষ্টা চলছে। কাদিয়ানীদের ন্যাশনাল আমিরের ওই এলাকায় অবস্থান পরিস্থিতিকে আরো উদ্বেগজনক করে তুলেছে।
সভায় আরো বলা হয়, বিশ্বনবী হজরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের দুশমন কাদিয়ানীদের ঈমান ও ইসলামবিরোধী তৎপরতা বন্ধ করার কার্যকর ব্যবস্থা নেয়ার পরিবর্তে পুলিশ প্রশাসন মসজিদে অনুষ্ঠিত মুসলমানদের ঈমানী আলোচনাতে বাধা দিয়ে ৯২ ভাগ মুসলমানদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করেছে। তারা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সরকারের নিকট দাবি জানান।
সভাপতির বক্তব্যে মাওলানা মহিউদ্দিন রব্বানী বলেন, কাদিয়ানীরা ইসলাম ও মুসলমানের দুশমন। তারা মুসলমান পরিচয় দিয়ে সরলমনা মুসলমানদের ধোঁকা দিয়ে ঈমান হরণ করছে। মুসলমানদের ঈমান আকিদা রক্ষায় সরকারকে অবিলম্বে কাদিয়ানীদের রাষ্ট্রীয়ভাবে অমুসলিম ঘোষণা করতে হবে এবং তাদের জন্য ইসলামী পরিভাষা ব্যবহার নিষিদ্ধ করতে হবে। অন্যথায় ইসলামী জনতা যেকোনো কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবে।


