বর্জ্য অপসারণে সেনাবাহিনী নিয়োগের খবর সত্য নয় : ডিএনসিসি

আসন্ন ঈদে কোরবানির বর্জ্য ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব ডিএনসিসি পালন করবে বলে জানিয়েছেন ডিএনসিসি প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
ডিএনসিসির লোগো
ডিএনসিসির লোগো |সংগৃহীত

সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসকের একটি বক্তব্য উল্লেখ করে দাবি করা হয়েছে, আসন্ন ঈদুল আযহায় কোরবানির পশুর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং ডেঙ্গু মশা নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে সেনাবাহিনী নিয়োগ করা হবে, যা সত্য নয়।

মঙ্গলবার ডিএনসিসির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কতিপয় গণমাধ্যমে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি ভুলভাবে উপস্থাপিত হয়েছে। আসন্ন ঈদে কোরবানির বর্জ্য ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব ডিএনসিসি পালন করবে বলে জানিয়েছেন ডিএনসিসি প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এই বিবৃতি দিলেও গত ১৯ মে একটি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে ডিএনসিসি প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ বলেছিলেন, ‘বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় আমরা সেনাবাহিনীকে এবার কাজে লাগাব। দিস ইজ দ্য ফার্স্ট টাইম দে উইল বি ডিপ্লয়। সুতরাং আশা করি, এটা একটা নতুন জায়গায় যাবে।’

ওই সময় তিনি বলেন, ‘প্রতিটি ওয়ার্ডে আমরা আলাদা কমিটি করে দিচ্ছি। তাছাড়া আমরা চেষ্টা করব এবার আর্মিকে ডিপ্লয় করার জন্য। যারা ময়লা কালেকশন করেন, এখনো তো আমরা তাদের কোনো ধরনের অনুমতি দিইনি। আমরা আর্মির মাধ্যমেই কোরবানির আগে এটা প্রসেসে নিয়ে যাব।’

কিন্তু এখন ডিএনসিসি দাবি করছে, ডিএনসিসিসহ বাংলাদেশের অবকাঠামো উন্নয়নে সেনাবাহিনী, সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ারিং কোর এবং সেনাবাহিনীর বিভিন্ন সহায়ক প্রতিষ্ঠান সহায়তা করে থাকে।

আসন্ন বর্ষা মৌসুমে ডেঙ্গু মশা নিয়ন্ত্রণে সেনাবাহিনী নয়, বরং সেনাবাহিনীর সহায়ক প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ম্যাশিন টুলস ফ্যাক্টরির (বিএমটিএফ) সহযোগিতা গ্রহণ করা হবে।

সূত্র : বিবিসি