কোরবানির বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম পরিদর্শনে এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী ও ডিএনসিসি প্রশাসক

এ কার্যক্রম আগামী আরো দুই দিন চলমান থাকবে। কোরবানির বর্জ্য অপসারণে প্রায় ১৬ হাজার পরিচ্ছন্নতাকর্মী ও ৭৫২টি যানবাহন কাজ করছে।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
কোরবানির বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম পরিদর্শন করেন প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম ও ডিএনসিসি’র প্রশাসক মো: শফিকুল ইসলাম খান
কোরবানির বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম পরিদর্শন করেন প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম ও ডিএনসিসি’র প্রশাসক মো: শফিকুল ইসলাম খান |সংগৃহীত

রাজধানীর মিরপুর সিরামিক রোড এলাকায় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) কোরবানির বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম পরিদর্শন করেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম ও ডিএনসিসি’র প্রশাসক মো: শফিকুল ইসলাম খান।

বৃহস্পতিবার (২৮ মে) বিকেলে পরিদর্শন শেষে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী কোরবানির বর্জ্য দুপুর ২টা থেকে পরবর্তী ১২ ঘণ্টার মধ্যে অপসারণ করে নগরবাসীকে স্বস্তি দেয়ার লক্ষ্যে কাজ করছে সিটি করপোরেশন।

তিনি বলেন, ‘সেই ধারাবাহিকতায় আমরা আজ মাঠপর্যায়ে কার্যক্রম পরিদর্শনে এসেছি। আশা করছি, রাত ২টার অনেক আগেই পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শেষ করা সম্ভব হবে।’

স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী জানান, এ কার্যক্রম আগামী আরো দুই দিন চলমান থাকবে। কোরবানির বর্জ্য অপসারণে প্রায় ১৬ হাজার পরিচ্ছন্নতাকর্মী ও ৭৫২টি যানবাহন কাজ করছে। 

এ সময় নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে শাহে আলম আরো বলেন, ‘আপনারা কোরবানির বর্জ্য পলিব্যাগে ভরে নির্ধারিত স্থানে রাখবেন। সেখান থেকে পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা দ্রুত তা অপসারণ করবে। নগরবাসী আমাদের ওপর আস্থা রাখতে পারেন। ইনশাআল্লাহ, আমরা দ্রুততম সময়ের মধ্যে নগর পরিষ্কার করতে সক্ষম হব।’

ডিএনসিসি প্রশাসক মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম খান বলেন, কোরবানির বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ডিএনসিসি’র ৭২ ঘণ্টার একটি সমন্বিত অ্যাকশন প্ল্যান রয়েছে। 

তিনি নগরবাসীর সহযোগিতা কামনা করে বলেন, ‘আপনারা আস্থা রাখবেন এবং বর্জ্য অবশ্যই পলিব্যাগে ভরে নির্ধারিত স্থানে রাখবেন।’

আজ দুপুর ২টা পর্যন্ত ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের আওতাভুক্ত বিভিন্ন এলাকা থেকে ৭৩৬টি ট্রিপের মাধ্যমে মোট তিন হাজার ১৫৮ টন কোরবানির বর্জ্য আমিনবাজার ল্যান্ডফিলে অপসারণ করা হয়েছে।

পরিদর্শন কার্যক্রমে ডিএনসিসি’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কমডোর মোহাম্মদ হুমায়ুন কবীর, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইমরুল কায়েস চৌধুরী ও প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ রকিবুল হাসানসহ ডিএনসিসি’র সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সূত্র : বাসস