বিলুপ্ত ছিটমহলকে অনগ্রসর তালিকায় যুক্ত করে এমপিও নীতিমালা সংশোধন

সংশোধিত নীতিমালায় অনগ্রসর এলাকার তালিকায় ‘বিলুপ্ত ছিটমহল’ অন্তর্ভুক্ত করার পাশাপাশি পাবলিক পরীক্ষার কাম্য পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ও নম্বর বণ্টনেও পরিবর্তন আনা হয়েছে।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
শিক্ষা মন্ত্রণালয়
শিক্ষা মন্ত্রণালয় |নয়া দিগন্ত গ্রাফিক্স

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের (স্কুল ও কলেজ) জনবলকাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২৫-এ গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি সংশোধন এনেছে সরকার।

সংশোধিত নীতিমালায় অনগ্রসর এলাকার তালিকায় ‘বিলুপ্ত ছিটমহল’ অন্তর্ভুক্ত করার পাশাপাশি পাবলিক পরীক্ষার কাম্য পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ও নম্বর বণ্টনেও পরিবর্তন আনা হয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব রেহানা পারভীন স্বাক্ষরিত জারিকৃত এক পরিপত্রে এ কথা জানানো হয়েছে। পরিপত্রটি মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হয়েছে।

নীতিমালার পরিশিষ্ট-‘ক’-তে বর্ণিত অনগ্রসর এলাকার সংজ্ঞায় পরিবর্তন আনা হয়েছে।

১. এখন থেকে বস্তি এলাকার পাশাপাশি ‘বিলুপ্ত ছিটমহল’ এলাকাগুলোও অনগ্রসর এলাকার বিশেষ সুবিধা ও ছাড়ের আওতায় আসবে।

২. নীতিমালার পরিশিষ্ট-‘গ’ অনুযায়ী, মাধ্যমিক (এসএসসি) স্তরে মফস্বল এলাকায় কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কাম্য পরীক্ষার্থীর ন্যূনতম সংখ্যা ২৫ জন নির্ধারণ করা হয়েছে।

৩. নীতিমালার ১৬(১)(ঘ) অনুচ্ছেদে নতুন শর্ত যুক্ত করা হয়েছে। এখন থেকে এমপিওভুক্তির ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানের প্রাপ্ত নম্বর পাবলিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী প্রকৃত পরীক্ষার্থীর সংখ্যা এবং নির্ধারিত কাম্য পরীক্ষার্থীর সংখ্যার অনুপাতের ভিত্তিতে নিরূপণ করা হবে।

মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের প্রান্তিক ও অনগ্রসর জনপদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে মূলধারার এমপিও কাঠামোর আওতায় আনতে এবং মূল্যায়নে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে এ সংশোধনী আনা হয়েছে। বিশেষ করে বিলুপ্ত ছিটমহল এলাকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো এই সিদ্ধান্তের ফলে দীর্ঘদিনের বঞ্চনা থেকে মুক্তি পাবে। বাসস