উন্নত বিশ্বের মতো দেশের নার্সিং শিক্ষা আধুনিকায়ন করা হবে : জিয়াউদ্দিন হায়দার

দেশের ৭৩টি সরকারি নার্সিং কলেজ ও ইনস্টিটিউটে আধুনিক অডিও-ভিজ্যুয়াল ক্লাসরুমের পাশাপাশি উচ্চ প্রযুক্তির ‘স্কিলস ল্যাব’ এবং ‘সিমুলেশন ল্যাব’ স্থাপন করা হবে বলেও জানান তিনি।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার
ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার |সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার বলেছেন, উন্নত বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে দেশের নার্সিং শিক্ষার কারিকুলাম সময়োপযোগী করে আধুনিকায়ন করা হবে।

আজ বুধবার দুপুরে সচিবালয়ে নিজ দফতরে ফিলিপাইন সফর শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

জিয়াউদ্দিন হায়দার বলেন, বর্তমানে দেশে তিন বছরের ডিপ্লোমা নার্সিং কোর্স চালু আছে, যা বিশ্বের অনেক দেশে গ্রহণযোগ্য নয়। এই তিন বছরের ডিপ্লোমাধারীদের আধুনিক ‘ব্রিজিং প্রোগ্রাম’-এর মাধ্যমে চার বছরের ব্যাচেলরস ডিগ্রিতে রূপান্তর করার পরিকল্পনা নেয়া হচ্ছে।

দেশের ৭৩টি সরকারি নার্সিং কলেজ ও ইনস্টিটিউটে আধুনিক অডিও-ভিজ্যুয়াল ক্লাসরুমের পাশাপাশি উচ্চ প্রযুক্তির ‘স্কিলস ল্যাব’ এবং ‘সিমুলেশন ল্যাব’ স্থাপন করা হবে বলেও জানান তিনি।

ফিলিপাইন থেকে মাস্টার ট্রেইনার এনে দেশের নার্সিং ফ্যাকাল্টি ও শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দেয়া হবে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী বলেন, চার বছরের ব্যাচেলরস কোর্স পরিচালনার জন্য নির্দিষ্ট ক্লাসরুম, জমি, অবকাঠামো, স্কিলস ল্যাব এবং উপযুক্ত শিক্ষকের প্রয়োজনীয় নীতিমালা শিগগিরই নির্ধারণ করা হবে।

তিনি বলেন, বেসরকারি নার্সিং এবং মেডিক্যাল কলেজগুলোকে নির্দিষ্ট সময় বেঁধে দেয়া হবে। নির্ধারিত সময়ে আন্তর্জাতিক মান অর্জনে ব্যর্থ হলে প্রতিষ্ঠানগুলো ডিগ্রি প্রদানের সক্ষমতা হারাবে এবং নতুন শিক্ষার্থী ভর্তি করাতে পারবে না।

ফিলিপাইনের আদলে দেশের নার্সিং শিক্ষার মান উন্নয়ন এবং দক্ষ নার্স গড়ে তুলতে সরকার মাস্টারপ্ল্যান হাতে নিয়েছে জানিয়ে জিয়াউদ্দিন হায়দার বলেন, এ লক্ষ্যে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) প্রায় ১৫০ মিলিয়ন ডলারের আর্থিক ও কারিগরি সহায়তায় একটি মেগা প্রকল্প গ্রহণ করা হচ্ছে। প্রকল্পটির মাধ্যমে সরকারি ৭৩টি নার্সিং কলেজ ও ইনস্টিটিউটের শতভাগ শিক্ষার মান আধুনিকায়ন করা হবে।

তিনি বলেন, সরকারের লক্ষ্য আগামী ৩-৫ বছরের মধ্যে দেশে প্রায় ১ কোটি কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা, যার একটি বড় অংশ আসবে স্বাস্থ্য খাত থেকে (নার্স, মিডওয়াইফ ও মেডিকেল টেকনোলজিস্ট)।

সূত্র : বাসস