থ্যালাসেমিয়ার রোগীর ওষুধ প্রাপ্যতা সহজলভ্য করার দাবি

‘থ্যালাসেমিয়া একটি প্রতিরোধযোগ্য বংশগত রোগ। জনসচেতনতা, বিয়ের আগে স্ক্রিনিং এবং সময়মতো পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে এ রোগের বিস্তার কমিয়ে আনা যায়।’

নিজস্ব প্রতিবেদক
থ্যালাসেমিয়া
থ্যালাসেমিয়া |সংগৃহীত

থ্যালাসেমিয়া রোগীদের জন্য আয়রন কিলেশন (কমানো) ওষুধের দাম কমানো, ওষুধের সহজলভ্যতা নিশ্চিত করা, প্রান্তিক পর্যায়ে চিকিৎসাসেবা সম্প্রসারণ এবং নিরাপদ রক্ত সঞ্চালন নিশ্চিত করতে পারলে থ্যালাসেমিয়ার রোগীদের ভোগান্তি কমানোর আহ্বান জানান হেমাটোলজি সোসাইটি অব বাংলাদেশের (এইচএসবি) সভায় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা।

তারা বলেন, থ্যালাসেমিয়া রোগীদের জন্য মানসম্মত চিকিৎসা এবং দীর্ঘমেয়াদি সমন্বিত সেবা নিশ্চিত করতে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ জরুরি। আলোচনা সভায় অংশগ্রহণকারীরা থ্যালাসেমিয়া প্রতিরোধে জাতীয় কর্মপরিকল্পনা আপাভ জোরদার করার পাশাপাশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও কমিউনিটি পর্যায়ে সচেতনতামূলক কার্যক্রম বাড়ানোর আহ্বান জানান।

বিশেষজ্ঞরা বলেন, থ্যালাসেমিয়া একটি প্রতিরোধযোগ্য বংশগত রোগ। জনসচেতনতা, বিয়ের আগে স্ক্রিনিং এবং সময়মতো পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে এ রোগের বিস্তার কমিয়ে আনা যায়। জাতীয় পর্যায়ে থ্যালাসেমিয়া স্ক্রিনিং কার্যক্রম সম্প্রসারণ এবং জনগণের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন তারা।

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) আন্তর্জাতিক থ্যালাসেমিয়া দিবস-২০২৬ উপলক্ষে হেমাটোলজি সোসাইটি অব বাংলাদেশের (এইচএসবি) উদ্যোগে মহাখালীর স্বাস্থ্য অধিদফতরের কনফারেন্স রুমে এক গোলটেবিল আলোচনায় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা তাদের বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন হেমাটোলজি সোসাইটি অব বাংলাদেশের সভাপতি অধ্যাপক ডা: আমিন লুৎফুল কবির। প্রধান অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা: প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস এবং বিশেষ অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা: নজমুল হোসেন।

আলোচনায় আরো বক্তব্য রাখেন এইচএসবি’র সাধারণ সম্পাদক সহযোগী অধ্যাপক ডা: মো: আদনান হাসান মাসুদ, বৈজ্ঞানিক বিষয়ক সম্পাদক সহযোগী অধ্যাপক ডা: মো: মনিরুল ইসলামসহ দেশের বিশিষ্ট চিকিৎসকরা।