তথ্যমন্ত্রীর অংশগ্রহণে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল ইস্তাম্বুলে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন

আলোচনা অনুষ্ঠানে বক্তব্যে মন্ত্রী অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজব্যবস্থা এবং ভিন্নমতের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের গুরুত্ব তুলে ধরেন, যা একটি জাতির শান্তি ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করার জন্য অপরিহার্য।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন
তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন |সংগৃহীত

তুরস্কের ইস্তাম্বুলে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলে বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আন্তর্জাতিক স্ট্র্যাটেজিক কমিউনিকেশন সামিট (স্ট্র্যাটকম)-২০২৬-এ অংশগ্রহণের জন্য ইস্তাম্বুল সফররত তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তুরস্কে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো: আমানুল হক।

ইস্তাম্বুল ও এতদঞ্চলে বসবাসরত বাংলাদেশী কমিউনিটির উল্লেখযোগ্যসংখ্যক পেশাজীবী, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, মিডিয়া ব্যক্তিত্ব, বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধি এবং কনস্যুলেটের কর্মকর্তা/কর্মচারীরা সপরিবারে অনুষ্ঠানে যোগদান করেন।

আলোচনা অনুষ্ঠানে বক্তব্যে মন্ত্রী অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজব্যবস্থা এবং ভিন্নমতের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের গুরুত্ব তুলে ধরেন, যা একটি জাতির শান্তি ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করার জন্য অপরিহার্য।

তিনি প্রবাসী কমিউনিটিকে বাংলাদেশে শিক্ষা ও অর্থনৈতিক খাতে বিনিয়োগে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

প্রবাসী কমিউনিটিকে বিদেশে অনানুষ্ঠানিক রাষ্ট্রদূত হিসেবে অভিহিত করে তিনি তুরস্কে বাংলাদেশের ইতিবাচক ভাবমূর্তি উন্নয়নে কাজ করার জন্য আহ্বান জানান। সরকার জনকেন্দ্রিক শাসনব্যবস্থা গড়ে তুলতে কাজ করবে বলে তিনি প্রবাসীদের আশ্বস্ত করেন।

রাষ্ট্রদূত তার বক্তব্যে বাংলাদেশ-তুরস্ক সম্পর্কের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন এবং দুই দেশের সম্পর্ক আরো গভীর ও বহুমাত্রিক হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

কনসাল জেনারেল মীযানুর রহমান তার বক্তব্যে বলেন, স্বাধীনতাকে অর্থবহ ও টেকসই করতে ক্ষুধা, দারিদ্র্য, নিরক্ষরতা এবং সকল প্রকার সামাজিক বৈষম্য ও অন্যায় থেকে মুক্তি অর্জন করতে হবে।

অনুষ্ঠান শেষে স্বাধীনতার জন্য জীবন উৎসর্গকারী মুক্তিযোদ্ধাদের রুহের মাগফেরাত কামনা এবং দেশের অব্যাহত শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দোয়া করা হয়। বাসস