মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে জাল পাসপোর্ট তৈরি ও জালিয়াতি চক্রের মূল হোতাসহ তিনজন প্রতারককে গ্রেফতার করেছে দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগ।
ইমিগ্রেশন মহাপরিচালক জাকারিয়া শাবান এক বিবৃতিতে জানান, এই চক্রটির মূল কৌশল ছিল ক্ল্যাং ভ্যালি এলাকার যেসব বিদেশী কর্মী ‘ফোমেমা’ স্বাস্থ্য পরীক্ষায় অকৃতকার্য বা অনুপযুক্ত হতেন, তাদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা উৎরে দেয়ার জন্য পাসপোর্ট জাল বা সংশোধন করে দেয়া। প্রতিটি জাল পাসপোর্টের জন্য তারা ৮০ থেকে ১৩০ রিঙ্গিত করে ফি নিত। চলতি বছরের শুরু থেকে সক্রিয় থাকা এই চক্রটি একই কৌশলে কাজ করা পঞ্চম কোনো চক্র, যাকে ইমিগ্রেশন বিভাগ চিহ্নিত ও ধ্বংস করল।
এক মাসের গোয়েন্দা নজরদারি ও তথ্যের ভিত্তিতে কুয়ালালামপুরের তামান শ্রী কুচিং এবং তামান বুকিত চেরাসে অভিযান চালিয়ে মূল হোতাসহ এক ইন্দোনেশিয়ান নারী ও অপর এক পুরুষ সহযোগীকে আটক করা হয়।
প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, ৪০ থেকে ৫০ বছর বয়সী এই মূল হোতার কাছে নির্মাণ খাতের সাময়িক কাজের পারমিট ছিল এবং বাকিদের অবস্থানের মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছিল।
অভিযানে ৮৫টি ইন্দোনেশিয়ান, ২২টি মায়ানমার, ৭টি বাংলাদেশী, ২টি ভিয়েতনামি, ২টি ভারতীয় এবং ১টি নেপালি পাসপোর্টসহ মোট ১১৯টি জাল পাসপোর্ট জব্দ করা হয়। এ ছাড়া জালিয়াতির কাজে ব্যবহৃত প্রিন্টার, মোবাইল ফোন এবং নগদ ১,৫০০ রিঙ্গিত উদ্ধার করা হয়।
আটকদের পুত্রাজায়া ইমিগ্রেশন কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে এবং ১৯৬৬ সালের পাসপোর্ট আইনের ১২(১)(এফ) ধারায় তাদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে।



