বিইউপি ও মালদ্বীপের জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে সমঝোতা স্মারক চুক্তি স্বাক্ষর

বুধবার (২৮ জানুয়ারি) মালদ্বীপের জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের এ চুক্তি স্বাক্ষর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার।

ওমর ফারুক, মালদ্বীপ
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান |নয়া দিগন্ত

বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস (বিইউপি) ও মালদ্বীপের জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের (এমএনইউ) মধ্যে সমঝোতা স্মারক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।

বুধবার (২৮ জানুয়ারি) মালদ্বীপের জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের এ চুক্তি স্বাক্ষর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন দেশটির জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর ড. মাহামুদ শুগী, ভিসি ড. আইশাথ শেহনাজ আদাম, মালদ্বীপে নিযুক্ত বাংলাদেশ হাইকমিশনার ড. মোহাম্মদ নাজমুল ইসলাম, বিইউপির আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের চেয়ারম্যান লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো: শফিউল আলম ও সহকারী অধ্যাপক মো: আতাউর রহমান তালুকদার।

অনুষ্ঠানে মালদ্বীপের জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি বলেন, ‘এ সমঝোতা স্মারক উভয় প্রতিষ্ঠানের অভিন্ন লক্ষ্য ও মূল্যবোধের প্রতিফলন। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থী ও শিক্ষক বিনিময়, অতিথি অধ্যাপক নিয়োগ, যৌথ সেমিনার, কর্মশালা, স্বল্পমেয়াদি কোর্স এবং গবেষণা ও প্রকাশনার নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে।’

বাংলাদেশ হাইকমিশনার ড. মোহাম্মদ নাজমুল ইসলাম বলেন, ‘এ সমঝোতা স্মারক জ্ঞান বিনিময়, শিক্ষার্থী ও শিক্ষক আদান-প্রদান এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্ম গড়ে তোলার একটি কার্যকর ভিত্তি।’ এ সময় যৌথ গবেষণা, অ্যাকাডেমিক নেতৃত্ব বিকাশ এবং দীর্ঘমেয়াদি প্রাতিষ্ঠানিক অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের মধ্যে ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ক অত্যন্ত গভীর। মালদ্বীপ সরকারের অগ্রাধিকার অনুযায়ী বাংলাদেশ ভবিষ্যতেও সহযোগিতা অব্যাহত রাখার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে।’

বিইউপির আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের চেয়ারম্যান লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো: শফিউল আলম বলেন, ‘বর্তমান বিশ্বে উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো আলাদা হয়ে এগোতে পারে না। আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা শিক্ষার্থীদের দক্ষতা বাড়াতে ও গবেষণাকে আরো সমৃদ্ধ করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।’

তিনি আরো বলেন, ‘এ চুক্তি শুধু অ্যাকাডেমিক মান উন্নয়নেই নয়, বরং আন্তর্জাতিক পরিসরে উভয় প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা ও গ্রহণযোগ্যতা বাড়াতে সহায়ক হবে।’

এ সমঝোতা স্মারক বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের মধ্যকার বন্ধুত্ব, পারস্পরিক আস্থা ও ভবিষ্যৎমুখী শিক্ষাগত সহযোগিতার একটি উজ্জ্বল নিদর্শন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।