ইসলামাবাদে বাংলাদেশ হাইকমিশনে ঈদে মিলাদুন্নবী উদযাপিত

‘বিশ্ব নবী হযরত মোহাম্মদ সা:-এর জীবনাদর্শ ও সুন্নাহ তাঁর শিক্ষা ও আদর্শ আমাদের ব্যক্তি ও সমাজজীবনে সর্বদা অনুসরণীয়।’

নয়া দিগন্ত অনলাইন
ইসলামাবাদে বাংলাদেশ হাইকমিশনে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী সা: উদযাপিত
ইসলামাবাদে বাংলাদেশ হাইকমিশনে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী সা: উদযাপিত |সংগৃহীত

ইসলামাবাদে বাংলাদেশ হাইকমিশন আজ যথাযোগ্য মর্যাদায় পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী সা: উপযাপিত হয়েছে।

পবিত্র কোরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে আলোচনা পর্ব শুরু হয়। দিবসটি উপলক্ষে বাংলাদেশ থেকে প্রেরিত রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ করা হয়। অনুষ্ঠানে হাইকমিশনের সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারী, তাদের পরিবারের সদস্য এবং পাকিস্তানে অবস্থানরত বাংলাদেশি কমিউনিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

আলোচকরা বলেন, বিশ্ব নবী হযরত মোহাম্মদ সা:-এর জীবনাদর্শ ও সুন্নাহ তাঁর শিক্ষা ও আদর্শ আমাদের ব্যক্তি ও সমাজজীবনে সর্বদা অনুসরণীয়।

হাইকমিশনার মো: ইকবাল হোসেন খান তার বক্তব্যে বলেন, মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন মানবজাতির হেদায়াত ও কল্যাণের জন্য সর্বশেষ নবী ও রাসূল, রহমাতুল্লিল আলামিন হজরত মুহাম্মদকে সা: পৃথিবীতে প্রেরণ করেছেন। মহানবী হযরত মুহাম্মদ সা:-এর আগমনের স্মৃতিবিজড়িত ঈদে মিলাদুন্নবী সা: সারাবিশ্বের মুসলমানদের জন্য অত্যন্ত পবিত্র ও মহিমান্বিত একটি দিন। তাঁর আগমন সারা বিশ্বের মানুষের জন্য সত্য ও আলোর এক নতুন দিগন্ত। তিনি মানুষকে তাওহিদের দিকে আহ্বান করার পাশাপাশি সত্য, ন্যায়, সাম্য, ভ্রাতৃত্ব, মানবিকতা ও শান্তির শিক্ষা দিয়েছেন।

তিনি আরো বলেন, ধর্মীয় ও পার্থিব জীবনে মহানবী হযরত মুহাম্মদ সা:-এর সুমহান আদর্শ ও সুন্নাহ বিশ্ববাসীর জন্য উৎকৃষ্টতম অনুসরণীয় ও অনুকরণীয়। মহানবী সা: একটি সাম্য ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি সকলের ন্যায্য অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠা এবং সার্বিক দায়িত্ব ও কর্তব্যের বিষয়ে দিকনির্দেশনা দিয়েছেন। মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন এবং ইহকাল ও পরকালীন কল্যাণ নিশ্চিতে হযরত মুহাম্মদ (সা:-এর প্রতিটি কথা, কর্ম ও জীবনাদর্শ সকল মুসলমানদের জন্য অবশ্য অনুসরণীয় মর্মে তিনি উল্লেখ করেন।

অনুষ্ঠান শেষে দেশের অব্যাহত শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। বাসস