মালয়েশিয়ায় আগের মতো আর ঢালাওভাবে বিভিন্ন সেক্টর বিদেশী কর্মী নিয়োগ দেবে না বলে ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম। তবে দীর্ঘ সময় ধরেই দেশটিতে কর্মী সংকট রয়েছে।
এদিকে, মালয়েশিয়ায় ভারতীয় মুসলিম রেস্তোরাঁ খাতে মারাত্মক কর্মী সংকট নিরসনে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সরকারি সংস্থাগুলোকে এক মাসের সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম।
তিনি শুক্রবার রাতে পেনাং রাজ্যের বাটারওয়ার্থ শহরে পিকা@এরিনা বাটারওয়ার্থ কনভেনশন সেন্টারে ইন্ডিয়ান মুসলিম ট্রান্সফরমেশনাল ফ্রেমওয়ার্ক (আইএমটিএফ) ২০৩০-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে একথা বলেন।
মালয়েশিয়ার গণমাধ্যম মালয় মেইলে এ খবর দেয়া হয়েছে।
আনোয়ার ইব্রাহিম জানান, আগামী সোমবার (২৭ জুলাই) থেকে কার্যকর হতে যাওয়া এই নির্দেশনার অধীনে জরুরিভিত্তিতে কর্মী সংকটে থাকা খাতগুলো চিহ্নিত করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সমাধান নিশ্চিত করতে হবে।
তিনি বলেন, ‘ইতোমধ্যেই দেশে বিপুলসংখ্যক বিদেশী কর্মী ও অবৈধ অভিবাসী রয়েছে। তাই কর্মী সংকট মেটানোর দোহাই দিয়ে আমরা যথেচ্ছভাবে বিদেশী শ্রমিক আসার পথ উন্মুক্ত করে দিতে পারি না। তবে আমি স্বীকার করি যে, রেস্তোরাঁ খাতসহ নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে জরুরিভিত্তিতে কর্মী সংকট সমাধানের প্রয়োজন রয়েছে।’
‘তাই, ইনশাআল্লাহ, সোমবার থেকে আমি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলোকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিদেশী কর্মী সংক্রান্ত সমস্যা সমাধানের জন্য সর্বোচ্চ এক মাসের সময় দিচ্ছি,’ বলেন তিনি।
উল্লেখ্য, মালয়েশিয়ায় নির্মাণশিল্প, পামওয়েল, কৃষি, ক্লিনার খাতে স্থানীয়রা কাজ করে না বিধায় বিদেশী শ্রমিকের প্রয়োজন হয়। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মালয়েশিয়া সফর করে কলিং ভিসা ও অনথিভুক্তদের বৈধ করার জন্য আহ্বান জানান। তবে এখন পর্যন্ত এবিষয়ে মালয়েশিয়ার সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো সিদ্ধান্ত জানায়নি। যদিও কিছুদিন আগে প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী আরিফুল হক বলেছেন, খুলে গেছে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার। কিন্তু এর পরের দিন প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় থেকে এক নোটিশে জানানো হয় পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত কোনো লেনদেন বা পাসপোর্ট জমা দেয়া যাবে না।



