কারিগরি ত্রুটি

জকসু নির্বাচনের ভোট গণনা সাময়িক স্থগিত

‘ভোট গণনার জন্য আমরা দু’টি কোম্পানি থেকে মোট ছয়টি মেশিন নিয়ে আসি। কিন্তু কিছুক্ষণ যাবৎ কারিগরি ত্রুটির কারণে এ মুহূর্তে ভোট গণনা স্থগিত করেছি। আমরা এখন কেন্দ্রীয় সংসদের সব ভিপি-জিএস প্রার্থীদের সাথে আলোচনা করব। এরপর পরবর্তী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করব।’

নয়া দিগন্ত অনলাইন
জকসু নির্বাচন
জকসু নির্বাচন |সংগৃহীত

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) নির্বাচনের ভোট গণনা কারিগরি ত্রুটির কারণে সাময়িক সময়ের জন্য স্থগিত করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) রাত ৯টা ২০ মিনিটে ভোট গণনা স্থগিত করেন নির্বাচন কমিশনার ড. আনিসুর রহমান।

তিনি বলেন, ‘ভোট গণনার জন্য আমরা দু’টি কোম্পানি থেকে মোট ছয়টি মেশিন নিয়ে আসি। কিন্তু কিছুক্ষণ যাবৎ কারিগরি ত্রুটির কারণে এ মুহূর্তে ভোট গণনা স্থগিত করেছি। আমরা এখন কেন্দ্রীয় সংসদের সব ভিপি-জিএস প্রার্থীদের সাথে আলোচনা করব। এরপর পরবর্তী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করব।’

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) নির্বাচনে সকাল ৯টায় শুরু হয়ে বিকেল তিনটা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ চলে। তবে নির্ধারিত সময়ের পরও অর্থনীতি, ইসলামিক স্টাডিজসহ বেশ কয়েকটি বিভাগের কেন্দ্রে ভোটারদের দীর্ঘ লাইন দেখা যায়। এসব ভোটার নির্ধারিত সময়ের পরও ভোট প্রদান করেছেন।

ভোটগ্রহণ শেষে সব কেন্দ্রের ব্যালট বাক্স আনা হয় কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় অডিটোরিয়ামে। ভোট গণনা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্থানের এলইডি স্ক্রিনে সরাসরি দেখানোর ব্যবস্থাও করা হয়।

নির্বাচনে ভোট পড়েছে প্রায় ৬৫ শতাংশ। এছাড়া হল সংসদে প্রায় ৭৭ শতাংশ ভোট পড়ে বলে আজ সন্ধ্যা ৬টার দিকে নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক জুলফিকার মাহমুদ জানান।

ভোট গণনার বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘ভোট গণনার জন্য প্রথমে ব্যালট পেপার ম্যানুয়ালি স্ক্রিনিং করে দেখা হবে– ব্যালটে ক্রস চিহ্ন ছাড়া অন্য চিহ্ন আছে কিনা। ক্রস ছাড়া অন্য কোনো চিহ্ন কোনো প্রার্থী নামের পাশে থাকলে ওই পদের ভোটটি বাতিল হবে।’

উল্লেখ্য, আজ সকাল ৯টা থেকে ৩৯টি কেন্দ্রে ১৭৮টি বুথে ভোট দেন শিক্ষার্থীরা। নির্বাচনে মোট ভোটার ছিলেন ১৬ হাজার ৬৪৯ জন।