বাকৃবিতে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধে ব্যাংক কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ

বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইনটেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) এবং পূবালী ব্যাংক পিএলসি এ কর্মশালার আয়োজন করে।

মো: লিখন ইসলাম, বাকৃবি

Location :

Mymensingh
বাকৃবিতে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধে ব্যাংক কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ
বাকৃবিতে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধে ব্যাংক কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ |নয়া দিগন্ত

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) ময়মনসিংহ জেলার ব্যাংক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণে ‘মানি লন্ডারিং প্রিভেনশন এবং কমব্যাটিং ফাইন্যান্সিং অফ টেরোরিজম’ শীর্ষক দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ শনিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের সৈয়দ নজরুল ইসলাম সম্মেলন কক্ষে এ কর্মশালার আয়োজন করে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইনটেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) এবং পূবালী ব্যাংক পিএলসি। দিনব্যাপী আয়োজনে ময়মনসিংহ জেলার ৪৫টি ব্যাংকের ১০৯ জন কর্মকর্তা অংশগ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পূবালী ব্যাংক ময়মনসিংহ অঞ্চলের ডিজিএম ও রিজিওনাল ম্যানেজার মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম। প্রধান অতিথি ছিলেন বিএফআইইউ-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও ডেপুটি হেড মো: আমির উদ্দীন।

কর্মশালায় রিসোর্স পারসন হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএফআইইউ-এর অতিরিক্ত পরিচালক মো: ইমতিয়াজ হারুণ ও মো: আসাদুজ্জামান খান এবং সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন। সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করেন পূবালী ব্যাংকের অ্যান্টি মানি লন্ডারিং বিভাগের প্রধান মো: ফয়সাল আহমেদ।

কর্মশালায় মানি লন্ডারিংয়ের সংজ্ঞা, ব্যাংকারদের দায়িত্ব এবং প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। পাশাপাশি অর্থনৈতিক অপরাধ প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

পূবালী ব্যাংকের ডিজিএম মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘ব্যাংকারদের দৈনন্দিন কার্যক্রমে মানি লন্ডারিং জড়িত। তাই সচেতনতা ও সতর্কতা অপরিহার্য। অবৈধ লেনদেন বন্ধ করতে হলে সঠিক সময়ে সঠিক জায়গায় রিপোর্ট করতে হবে।’

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএফআইইউ-এর ডেপুটি হেড মো: আমির উদ্দীন বলেন, ‘আমাদের অনেকেই নিরাপদ আর্থিক লেনদেনের খুঁটিনাটি বিষয় জানি না। দেশ আর্থিক সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, মুদ্রাস্ফীতি বেড়েছে, ডলারের দাম নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গিয়েছিল। তবে আগস্টের পর ব্যাংকারদের পদক্ষেপে পরিস্থিতি কিছুটা হলেও নিয়ন্ত্রণে এসেছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘জুলাই মাসের গণঅভ্যুত্থানের সাহসী ভূমিকার ফলে আমরা আর্থিক খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছি। একসময় যেখানে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ নেমে এসেছিল ১৬ বিলিয়ন ডলারে, বর্তমানে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩১ বিলিয়ন ডলারে।’