নোবিপ্রবিতে ‘ক্যানসার সচেতনতা কার্যক্রম’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

সেমিনারে রিসোর্স পারসন ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মুস্তাক ইবনে আইয়ুব এবং একই বিভাগের ড. মাহবুবুর রহমান।

মুহাম্মদ হানিফ ভুঁইয়া, নোয়াখালী অফিস

Location :

Noakhali
নোবিপ্রবিতে ‘ক্যানসার সচেতনতা কার্যক্রম’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত
নোবিপ্রবিতে ‘ক্যানসার সচেতনতা কার্যক্রম’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত |নয়া দিগন্ত

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের(নোবিপ্রবি) শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে ‘ক্যানসার অ্যাওয়ারনেস ক্যাম্পেইন’ শীর্ষক এক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩ জুলাই) সকাল থেকে শুরু হয়ে বেলা ২টার দিকে শেষ হয়।

বাংলাদেশ ন্যাশনাল কমিশন ফর ইউনেস্কো(বিএনসিইউ) ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগের আয়োজনে এবং নোবিপ্রবি ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেলের(আইকিউএসি) সহযোগিতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বীরশ্রেষ্ঠ শহিদ মোহাম্মদ রুহুল আমিন অডিটোরিয়ামে এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইসমাইল।

আইকিউএসি পরিচালক অধ্যাপক ড. আসাদুন নবীর সভাপতিত্বে সেমিনারে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রেজওয়ানুল হক ও কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ হানিফ।

সেমিনারে রিসোর্স পারসন ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মুস্তাক ইবনে আইয়ুব এবং একই বিভাগের ড. মাহবুবুর রহমান।

মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রজেক্ট ডিরেক্টর, মলিকুলার অনকোলজিস্ট ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগের শিক্ষক মুস্তাক ইবনে আইয়ুব।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন আইকিউএসির অতিরিক্ত পরিচালক জি এম রাকিবুল ইসলাম ।

সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভিসি অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইসমাইল বলেন, ‘ক্যানসার সচেতনতামূলক এ কার্যক্রমে যারা অংশগ্রহণ করেছেন তাদের সবাইকে স্বাগত। আজকের এ উপস্থিতি প্রমাণ করে যে আপনারা ক্যানসার বিষয়ে সচেতন। যারা রিসোর্স পার্সন হিসেবে এসেছেন তাদেরকে নোবিপ্রবির পক্ষ থেকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি। আজ এখানে আমরা যারা শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, কর্মচারী সমবেত হয়েছি সবাই যদি সচেতন হই তাহলে এ ভয়াবহ রোগটির হাত থেকে বাঁচা সম্ভব। এ ক্ষেত্রে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে যদি কোনো সহযোগিতার প্রয়োজন পড়ে আমরা সবসময় সে সহযোগিতা করতে বদ্ধ পরিকর।’

তিনি আরো বলেন, ‘সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে এরই মধ্যে আমরা শহিদ মুগ্ধ মেডিক্যাল সেন্টারে ডায়াগনস্টিক সেন্টার চালু করেছি। এ সেবা স্থানীয় এলাকাবাসীও নিতে পারবেন। এ এলাকার আরো একটি সমস্যা হলো পানিতে লবণাক্ততা। বিশ্ববিদ্যালয়ে পানির লবণাক্ততা দূরীকরণে আমরা ইতিমধ্যে কাজ শুরু করছি। আমি সেমিনারে আগত সবাইকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি এবং এর সফলতা কামনা করছি।