রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শিক্ষার্থীদের ক্যাম্পাসে সহজ যাতায়াত নিশ্চিত করতে চালুর ঘোষণা দেয়া ই-কার সেবা প্রতিশ্রুতির তিন মাস পরও পুনরায় চালু হয়নি। ফলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে হতাশা দেখা দিয়েছে।
গত বছরের নভেম্বরে পরীক্ষামূলকভাবে পাঁচটি ই-কার চালু হলেও চালকদের লোকসান, ভাড়া-সংক্রান্ত জটিলতা এবং যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে চলতি বছরের মার্চের শেষ সপ্তাহে সেবাটি বন্ধ হয়ে যায়। পরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন (রুয়া) ৪ এপ্রিলের মধ্যে সেবা পুনরায় চালুর আশ্বাস দিলেও এখনো তা বাস্তবায়িত হয়নি।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, ৩০ হাজারের বেশি শিক্ষার্থীর জন্য ই-কারের সংখ্যা শুরু থেকেই অপ্রতুল ছিল।
আইন বিভাগের শিক্ষার্থী শেখ রাফিন আহমেদ বলেন, প্রতিশ্রুতি দিয়েও সেবা চালু না হওয়া ব্যবস্থাপনার দুর্বলতা ও জবাবদিহিতার অভাবের পরিচয়।
আর শিক্ষার্থী ফুয়াদুল ইসলাম ভুঁইয়ার মতে, এটি শুরু থেকেই একটি লোকদেখানো প্রকল্পে পরিণত হয়েছে।
এ বিষয়ে রাকসুর এজিএস সালমান সাব্বির বলেন, ই-কার চালু বা বন্ধের বিষয়টি সম্পূর্ণ রুয়ার দায়িত্ব।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো: আব্দুল আলিম বলেন, নতুন প্রশাসনের সাথে এ বিষয়ে এখনো বিস্তারিত আলোচনা হয়নি। বিশ্ববিদ্যালয়ের সক্ষমতা, ব্যয় ও পরিচালনাগত বিষয় বিবেচনা করেই সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।
রুয়ার সাধারণ সম্পাদক ড. মো: নিজাম উদ্দিন বলেন, ই-কারগুলো বিশ্ববিদ্যালয়কে দান করার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে প্রশাসনিক অনুমোদন না পাওয়ায় বিষয়টি বিলম্বিত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সাথে আলোচনা করে দ্রুত সেবাটি চালুর চেষ্টা করা হবে।



