চলতি বছরের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের প্রথম দিনের পরীক্ষা অত্যন্ত সুষ্ঠু, নকলমুক্ত ও ইতিবাচক পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার পরীক্ষা শেষে শিক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও সরকারের মাঠ প্রশাসন এবং শিক্ষা বোর্ডগুলোর সার্বিক ব্যবস্থাপনায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত একযোগে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। প্রথম দিনে সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোতে বাংলা (আবশ্যিক) প্রথম পত্র, মাদরাসা বোর্ডে কুরআন মাজিদ ও তাজভিদ এবং কারিগরি বোর্ডে বাংলা-২ পত্রের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।
শিক্ষামন্ত্রী সকালে সশরীরে রাজধানীর মিরপুর ও ঢাকার পার্শ্ববর্তী মানিকগঞ্জ জেলার সিঙ্গাইর এলাকার পাঁচটি পরীক্ষা কেন্দ্র আকস্মিক পরিদর্শন করেন।
কেন্দ্রগুলো হলো ঢাকার মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইর উপজেলার তেঁতুলঝোড়া হাইস্কুল, জয়মন্টপ উচ্চ বিদ্যালয়, সাহরাইল উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্র এবং রাজধানীর আমিন বাজারের মিরপুর মফিদ-ই-আম স্কুল এবং পাইকপাড়ার মডেল একাডেমি কেন্দ্র।
পরিদর্শন শেষে রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে শিক্ষামন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, ‘আজকের পরীক্ষায় জেলা প্রশাসন, পুলিশ, শিক্ষার মাঠ প্রশাসন এবং সামাজিক কমিউনিটি- সবাই এবার শতভাগ সহযোগিতা করছে। এমন একটি পরিবেশ তৈরি হয়েছে যেখানে কেউ কাউকে বিরক্ত করছে না, সবাই চায় শিক্ষার্থীরা সুন্দরভাবে পরীক্ষা দিক।’
আন্তঃশিক্ষা বোর্ডের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এ বছর ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে। এর মধ্যে ছাত্র নয় লাখ ৩০ হাজার ৩০৫ জন এবং ছাত্রী নয় লাখ ২৭ হাজার ৩৯ জন।
উল্লেখ্য, বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর এ বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে পরীক্ষা নিশ্চিত করতে প্রশ্নপত্র বিতরণে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে।
পরীক্ষা সুষ্ঠু, নকলমুক্ত ও ইতিবাচক পরিবেশে সম্পন্ন করতে এবারই প্রথম প্রতিটি কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। প্রশ্নপত্র পরিবহনে ‘ডিজিটাল ট্র্যাকিং’সহ একগুচ্ছ আধুনিক নিরাপত্তা পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে শিক্ষা বোর্ডগুলো। একই সাথে মাঠ পর্যায়ের সংশ্লিষ্ট সব কর্মকর্তাকে এ বিষয়ে সর্বাত্মক সহযোগিতার নির্দেশ দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।



