চবিতে পরিবেশবান্ধব ই-কার চালুতে স্বস্তি

শিক্ষার্থীদের যাতায়াতে ভাড়ার ভোগান্তি কমাতে ও আধুনিক সেবা নিশ্চিত করতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) চালু হয়েছে পরিবেশবান্ধব ইলেকট্রনিক কার (ই-কার)। নতুন এ সেবায় স্বস্তি ফিরেছে শিক্ষার্থীদের মাঝে।

চট্টগ্রাম ব্যুরো

Location :

Chattogram
শিক্ষার্থীদের সেবায় ইলেকট্রনিক কার
শিক্ষার্থীদের সেবায় ইলেকট্রনিক কার |নয়া দিগন্ত

শিক্ষার্থীদের যাতায়াতে ভাড়ার ভোগান্তি কমাতে ও আধুনিক সেবা নিশ্চিত করতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) চালু হয়েছে পরিবেশবান্ধব ইলেকট্রনিক কার (ই-কার)। নতুন এ সেবায় স্বস্তি ফিরেছে শিক্ষার্থীদের মাঝে।

মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) সকাল ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের জিরো পয়েন্টে আনুষ্ঠানিকভাবে তিন জোড়া ই-কারের উদ্বোধন করেন ভিসি অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইয়াহইয়া আখতার।

অনুষ্ঠানে প্রো-ভিসি (অ্যাকাডেমিক) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শামীম উদ্দীন খান, প্রো-ভিসি (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো: কামাল উদ্দিন ও রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

ভিসি অধ্যাপক ড. ইয়াহইয়া আখতার বলেন, ‘সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমরা অবশেষে ক্যাম্পাসে ইলেকট্রনিক কার চালু করতে সক্ষম হয়েছি। এটি আমাদের শিক্ষার্থীদের জন্য একটি মাইলফলক। রিকশা ভাড়ার ঝামেলা কমে যাবে এবং শিক্ষার্থীরা স্বাচ্ছন্দ্যে চলাফেরা করতে পারবে।’

শিক্ষার্থীরা বলছেন, ‘ক্যাম্পাসে দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় রিকশাচালকদের দৌরাত্ম্য ছিল। প্রতিদিন ক্লাস, ল্যাব করে বের হয়ে রিকশা পেতাম না। তাছাড়া জীববিজ্ঞান অনুষদ দূরে হওয়ায় ভাড়াও বেশি চাইতো চালকরা। তারা প্রায়ই ইচ্ছেমতো ভাড়া নিতেন, যা আমাদের জন্য বড় ভোগান্তি তৈরি করেছিল। অবশেষে ইলেকট্রনিক কার চালু হওয়ায় আর অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে আসতে হবে না।’

মনোবিজ্ঞান বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী আদিবুজ্জামান তিতাস বলেন, ‘চবিতে চক্রাকারে বাস সার্ভিস চালুর দাবি আমাদের দীর্ঘদিনের। কারণ বিশাল এ ক্যাম্পাসে প্রতিদিন যাতায়াত করতে গিয়ে রিকশা ভাড়ায় অনেক টাকা খরচ হয়। ইলেকট্রনিক কার চালু হওয়ায় আমরা সেই সমস্যার হাত থেকে মুক্তি পেলাম। এখন বিশ্ববিদ্যালয়ের যেকোনো জায়গায় স্বল্প খরচে সহজেই চলাচল করা যাবে।’