কুবিতে প্রতিরোধ দিবসে নয়া দিগন্ত প্রতিনিধিসহ ৫ সাংবাদিককে সম্মাননা প্রদান

২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সূচনালগ্নে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ওপর সঙ্ঘটিত পুলিশি হামলার প্রতিবাদ এবং তাদের ঐতিহাসিক প্রতিরোধকে স্মরণীয় করে রাখতে সিন্ডিকেটের ১১০তম সভায় ১১ জুলাইকে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘প্রতিরোধ দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

কুবি প্রতিনিধি
সম্মাননা গ্রহণ করছেন দৈনিক নয়া দিগন্তের কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি মো: মানছুর আলম অন্তর
সম্মাননা গ্রহণ করছেন দৈনিক নয়া দিগন্তের কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি মো: মানছুর আলম অন্তর |নয়া দিগন্ত

২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহত ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার স্বীকৃতিস্বরূপ কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) দৈনিক নয়া দিগন্তের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি ও নৃবিজ্ঞান বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মো: মানছুর আলম অন্তরসহ পাঁচ সাংবাদিককে সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে। একই অনুষ্ঠানে গণঅভ্যুত্থানে আহত শিক্ষার্থী, স্থানীয় সহযোগী ও আন্দোলনে অংশ নেয়া শিক্ষার্থীদেরও সম্মাননা জানানো হয়।

রোববার (১২ জুলাই) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তমঞ্চে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উদ্যোগে ‘প্রতিরোধ দিবস’ উপলক্ষে আলোচনা সভা, স্মৃতিচারণ, সম্মাননা প্রদান এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে আহত ৩৫ জন শিক্ষার্থী, পাঁচজন সাংবাদিক, আন্দোলনে সহায়তাকারী আটজন স্থানীয় ব্যক্তি ও অংশগ্রহণকারী আরো ২১ জন শিক্ষার্থীকে সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।

সম্মাননা পাওয়া সাংবাদিকরা হলেন— দৈনিক নয়া দিগন্তের প্রতিনিধি মো: মানছুর আলম অন্তর, চ্যানেল আইয়ের সৌরভ সিদ্দিকী, দৈনিক আমাদের সময়ের অনন মজুমদার, দৈনিক যুগান্তরের সাঈদ হাসান ও ক্যাম্পাস টাইমসের আল শাহরিয়ার।

‘প্রতিরোধ দিবস’ উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন সরকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে মুখ্য আলোচক ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশনের সদস্য ড. চৌধুরী সায়মা ফেরদৌস।

এছাড়া প্রধান অতিথি ছিলেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি অধ্যাপক ড. মাসুদা কামাল ও কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোলায়মান।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সূচনালগ্নে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ওপর সঙ্ঘটিত পুলিশি হামলার প্রতিবাদ এবং তাদের ঐতিহাসিক প্রতিরোধকে স্মরণীয় করে রাখতে সিন্ডিকেটের ১১০তম সভায় ১১ জুলাইকে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘প্রতিরোধ দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়।