বিজয় দিবসে ১০০ নৌকা নিয়ে জবি শিবিরের নৌ-র‍্যালি

মহান বিজয় দিবসে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবির বুড়িগঙ্গা নদীতে ১০০ নৌকা নিয়ে নৌ-র‍্যালি আয়োজন করে, যেখানে নদী রক্ষা ও জাতীয় স্বার্থের নানা দাবিতে স্লোগান দেয়া হয়।

নুর আলম, জবি সংবাদদাতা
বিজয় দিবসে ১০০ নৌকা নিয়ে জবি শিবিরের নৌ-র‍্যালি
বিজয় দিবসে ১০০ নৌকা নিয়ে জবি শিবিরের নৌ-র‍্যালি |নয়া দিগন্ত

মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে ঢাকার বুড়িগঙ্গা নদীতে ১০০টি নৌকা নিয়ে নৌ-র‍্যালি আয়োজন করেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) শাখা ছাত্রশিবির। লাল-সবুজ রঙের টি-শার্ট এবং হাতে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা নিয়ে এতে প্রায় সাত শতাধিক নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করেন।

মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টায় বুড়িগঙ্গা নদীতে এ র‌্যালি শুরু হয়।

র‍্যালিটি শ্যামবাজার ঘাট থেকে শুরু হয়ে পোস্তগোলা ব্রিজ পর্যন্ত গিয়ে আবারো শ্যামবাজার ঘাটে এসে শেষ হয়।

র‍্যালিতে শিবির নেতাকর্মীরা ‘বিজয় দিবস, সফল হোক’, ‘নদী বাঁচলে, বাঁচবে দেশ’, ‘হাদি ভাইয়ের রক্ত, বৃথা যেতে দেবো না’, ‘এক হাদি হাসপাতালে, লক্ষ হাদি ঘরে ঘরে,’ ‘ইসলামী ছাত্রশিবির, জিন্দাবাদ জিন্দাবাদ’- সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন।

এসময় শিবির-সমর্থিত ‘অদম্য জবিয়ান ঐক্য’ প্যানেলের ভিপি প্রার্থী ও শাখা শিবির সভাপতি মো: রিয়াজুল ইসলাম, জিএস প্রার্থী ও শাখা শিবির সেক্রেটারি আব্দুল আলিম আরিফ ও এজিএস প্রার্থী মাসুদ রানাসহ অন্য প্রার্থীরা অংশ নেন।

র‍্যালি শেষে মো: রিয়াজুল ইসলাম বলেন, ‘স্বাধীনতা যুদ্ধের গৌরবময় ইতিহাসকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য আমরা বিজয় দিবসে এই ব্যতিক্রমধর্মী প্রোগ্রামের আয়োজন করেছি। এর মাধ্যমে আমরা পুরো জাতিকে নদী রক্ষা ও বাঁচানোর জন্য একটি বার্তা পৌঁছে দিতে চায়।‘

তিনি আরো বলেন, ‘আজকে বুড়িগঙ্গাসহ আমাদের সব নদী দখল ও দূষণে মৃত প্রায় হয়ে গেছে। আমাদের তিস্তা, ফেনীসহ সব বড় বড় নদী ভারতের ষড়যন্ত্রের শিকার। তারা নদীর পানি বন্ধ করে রেখেছে। আমরা এসবের ন্যায্য হিস্যা চায়। নরেন্দ্র মোদি (ভারতের প্রধানমন্ত্রী) বাংলাদেশের স্বাধীন দিবস নিয়ে যে পোস্ট দিয়েছেন, এটি আমাদের দেশের স্বাধীনতাকে হেয় প্রতিপন্ন করার শামিল। বাংলাদেশ নিয়ে ভারতের মনোভাব ও চিন্তাভাবনা আসলেই এদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকিস্বরূপ।‘