ড. হেলাল উদ্দিন

আলোকিত সমাজ গঠনে নৈতিক শিক্ষার বিকল্প নেই

ড. হেলাল উদ্দিন বলেন, শিক্ষা ব্যবস্থায় আধুনিকতার পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষার সমন্বয় জরুরি। তিনি সরকারকে শিক্ষা ব্যবস্থাকে যুগোপযোগী ও নৈতিক মূল্যবোধসম্পন্ন করে গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এ কাজে সরকার উদ্যোগ নিলে বিরোধীদল হিসেবেও জামায়াতে ইসলামী সর্বোচ্চ সহযোগিতা করবে।

নয়া দিগন্ত অনলাইন

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নায়েবে আমির অ্যাডভোকেট ড. হেলাল উদ্দিন বলেছেন, আলোকিত সমাজ বিনির্মাণে নৈতিক শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই। নৈতিক শিক্ষার অভাবেই সমাজে অপরাধপ্রবণতা বাড়ছে এবং শিক্ষা ব্যবস্থা ক্রমেই মূল্যবোধশূন্য হয়ে পড়ছে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর পুরানা পল্টন কলেজের অফিস সহকারী মো. রইসুল আলমের মৃত্যুতে আয়োজিত আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ড. হেলাল উদ্দিন বলেন, শিক্ষা ব্যবস্থায় আধুনিকতার পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষার সমন্বয় জরুরি। তিনি সরকারকে শিক্ষা ব্যবস্থাকে যুগোপযোগী ও নৈতিক মূল্যবোধসম্পন্ন করে গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এ কাজে সরকার উদ্যোগ নিলে বিরোধীদল হিসেবেও জামায়াতে ইসলামী সর্বোচ্চ সহযোগিতা করবে।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, নেতৃত্বে থাকা ব্যক্তিদের সৎ, নৈতিক ও আদর্শবান হতে হবে। নেতৃত্ব যদি অনৈতিক হয়, তবে সমাজ বা রাষ্ট্রে নৈতিকতা প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। তাই সমাজের প্রতিটি স্তরে সৎ, যোগ্য ও আদর্শিক নেতৃত্ব নির্বাচন করতে হবে।

পুরানা পল্টন কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ লুৎফুন নাহারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সমাজসেবক ও শিক্ষানুরাগী মোস্তফা কামাল। আরো বক্তব্য দেন ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক বীরেন চন্দ্রশীল, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. রুহুল আমিন এবং হিসাববিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. মাসুদ রানা প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীরা রইসুল আলমের কর্মজীবনের বিভিন্ন স্মৃতি তুলে ধরেন। এতে কলেজের শিক্ষক-শিক্ষিকা, শিক্ষার্থী, অভিভাবক, গভর্নিং বডির সদস্য এবং রইসুল আলমের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

সভা শেষে মরহুম রইসুল আলমের রুহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।