বিদেশী শিক্ষার্থীদের জন্য ভিসা নীতি সহজ করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে : শিক্ষামন্ত্রী

মন্ত্রী শিক্ষার মানোন্নয়ন ও বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অবস্থান শক্তিশালী করতে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই), কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা এবং গবেষণার ওপর গুরুত্ব দেয়ার আহ্বান জানান।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন
শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন |ফাইল ছবি

বাংলাদেশে বিদেশী বিনিয়োগ ও বিদেশী শিক্ষার্থীদের আগমন বাড়াতে ভিসা নীতি সহজ করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এ কথা জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

তিনি আরো বলেন, এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে বিদেশী শিক্ষার্থীরা আরো সহজে উচ্চশিক্ষার জন্য বাংলাদেশে ভিসা নিয়ে আসতে পারবেন। এর মাধ্যমে বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য আরো আকর্ষণীয় করে তোলা এবং দেশের উচ্চশিক্ষাকে বৈশ্বিক পরিমণ্ডলে সম্প্রসারণের সুযোগ তৈরি হবে।

সোমবার (১৭ আগস্ট) রাজধানীর একটি হোটেলে ‘কিউএস বাংলাদেশ ফোরাম ২০২৬’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের ৯০টিরও বেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

মন্ত্রী শিক্ষার মানোন্নয়ন ও বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অবস্থান শক্তিশালী করতে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই), কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা এবং গবেষণার ওপর গুরুত্ব দেয়ার আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, ‘দেশের বিপুল জনসংখ্যাকে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তর করতে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের (টিভিইটি) বিকল্প নেই। তাই বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়েও টিভিইটি শিক্ষার প্রসার ঘটাতে হবে। একইসাথে উচ্চশিক্ষায় এআইয়ের ব্যবহার আরো বাড়ানো প্রয়োজন।’

ড. মিলন বলেন, “কিউএস র‌্যাংকিংয়ে বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অবস্থান আরো উন্নত করতে হলে গবেষণার পরিধি ও মান বাড়াতে হবে। পাশাপাশি ‘ক্রস-বর্ডার এডুকেশন’র ওপর গুরুত্ব দিয়ে বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষাকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আরো সংযুক্ত করতে হবে।”

তিনি বলেন, “বাংলাদেশের মেধাবী শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর ঘাটতি নেই। দেশের শিক্ষার্থীরা বিদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভালো ফলাফল করার পাশাপাশি গবেষণাতেও সাফল্যের স্বাক্ষর রাখছেন। বিদেশে অবস্থানরত থাকা মেধাবীদের ‘রিভার্স ব্রেইন ড্রেইন’র মাধ্যমে দেশে ফিরিয়ে এনে জাতীয় উন্নয়নে কাজে লাগাতে হবে।”

‘বাংলাদেশকে এডুকেশন হাব হিসেবে গড়ে তুলতে চাই এবং সেই সামর্থ্য আমাদের রয়েছে’ বলেও মন্তব্য করেন শিক্ষামন্ত্রী।

অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। অ্যাসোসিয়েশন অব প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিজ অব বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ড. মো: সবুর খান, আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-বাংলাদেশের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্য ইশতিয়াক আবেদিন এবং কিউএসের চিফ কমার্শিয়াল অফিসার জেসন নিউম্যান বক্তব্য দেন। কিউএস ইন্ডিয়ার চেয়ারম্যান ড. অশ্বিন ফার্নান্দেজ স্বাগত বক্তব্য রাখেন।

সূত্র : বাসস