ঢাবি প্রতিনিধি
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) নারী শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের নিয়ে অনলাইনে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য, চরিত্রহননমূলক বক্তব্য ও হয়রানির ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে যথাযথ প্রশাসনিক ও একাডেমিক ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় ছাত্রশিবিরের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সেক্রেটারি কাজী আশিকের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর বরাবর লিখিত অভিযোগপত্র দেয়।
অভিযোগপত্রে বলা হয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সব শিক্ষার্থীর জন্য একটি নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ শিক্ষাঙ্গন। তবে সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে নারী সহপাঠী ও শিক্ষকদের নিয়ে অনলাইনে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য, চরিত্রহননমূলক বক্তব্য এবং হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। এসব ঘটনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সুস্থ ও নিরাপদ একাডেমিক পরিবেশকে ক্ষুণ্ন করেছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
এ ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়ে ছাত্রশিবিরের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা অভিযুক্তদের দ্রুত শনাক্ত করে তদন্তের মাধ্যমে যথাযথ প্রশাসনিক ও একাডেমিক ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানিয়েছে।
ছাত্রশিবিরের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সেক্রেটারি কাজী আশিক বলেন, ‘ক্যাম্পাসে নারী শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের নিরাপত্তা, সম্মান ও মর্যাদা নিশ্চিত করা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের অন্যতম দায়িত্ব। এ ধরনের অপরাধীদের দ্রুত শাস্তির আওতায় না আনলে ভবিষ্যতে ক্যাম্পাসে নারীদের নিরাপত্তা চরম হুমকির মুখে পড়বে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মান ভূলুণ্ঠিত হবে।’
তিনি আরো বলেন, ‘একটি ক্রিয়াশীল ছাত্রসংগঠন হিসেবে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির নিরাপদ একাডেমিক পরিবেশ নিশ্চিত করতে এবং শিক্ষার্থীদের সম্মান রক্ষায় দৃঢ় ও আপসহীন।’
অভিযোগপত্র গ্রহণের পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ইসরাফিল রতন বলেন, ‘আমরা উক্ত ঘটনা নিয়ে উদ্বিগ্ন। দ্রুত তদন্ত কমিটি গঠন করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’



