মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (মাভাবিপ্রবি) থেকে প্রথমবারের মতো তিনজন গবেষক পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলরের (ভিসি) কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠানে ভিসি অধ্যাপক ড. মো: আনোয়ারুল আজীম আখন্দ আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের হাতে পিএইচডি ডিগ্রির সনদ তুলে দেন।
সনদ প্রদানকালে ভিসি বলেন, ‘আজকের এই অর্জন বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য একটি গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়। ভবিষ্যতেও যাতে এ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি প্রদানের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ মান বজায় থাকে, সে বিষয়ে আমরা অঙ্গীকারাবদ্ধ।’
তিনি সংশ্লিষ্ট সুপারভাইজার, বিভাগের চেয়ারম্যান এবং ডিগ্রি অর্জনকারী গবেষকদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।
উল্লেখ্য, ২০১৮-২০১৯ শিক্ষাবর্ষে এই তিন গবেষক বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইফ সায়েন্স অনুষদের ফুড টেকনোলজি অ্যান্ড নিউট্রিশনাল সায়েন্স বিভাগে পিএইচডি প্রোগ্রামে ভর্তি হন। ২০২৫ সালের ২২ নভেম্বর অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের রিজেন্ট বোর্ডের সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাঁদের পিএইচডি ডিগ্রি দেয়া হয়।
পিএইচডি ডিগ্রিপ্রাপ্তরা হলেন— মো: তাজুল ইসলাম, আবু নইম মোহাম্মদ বজলুর রহীম এবং মোহাম্মদ জাহিদুল মনির। তারা তিনজনই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বিভিন্ন বিভাগ থেকে স্নাতক (সম্মান) ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।
গবেষণার বিষয় হিসেবে মো: তাজুল ইসলাম ‘Development of Chitosan-based Instant Soup for Osteoarthritis Patients and its Efficacy as a Functional Food’, আবু নইম মোহাম্মদ বজলুর রহীম ‘Integrated Approaches to Combat Obesity for the Management of Type 2 Diabetes Mellitus” এবং মোহাম্মদ জাহিদুল মনির “Studies of Body Composition between Severely Acute Malnourished and Well-nourished Children in the Rohingya Refugees of Bangladesh’ শীর্ষক অভিসন্দর্ভ রচনা করেন।
সনদ প্রদান অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পিএইচডি সুপারভাইজার ও ফুড টেকনোলজি অ্যান্ড নিউট্রিশনাল সায়েন্স বিভাগের অধ্যাপক ড. এ কে ওবায়দুল হক, লাইফ সায়েন্স অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. আবু জুবাইর, রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. সাজ্জাদ ওয়াহিদ, বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো: আজিজুল হক, বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. এ কে এম মহিউদ্দিন এবং পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ড. মো: মোস্তাফিজুর রহমান।



