বাকৃবিতে বিএএস-ইউএসডিএ এন্ডাওমেন্ট প্রোগ্রামের ষষ্ঠ ধাপের উদ্বোধনী কর্মশালা অনুষ্ঠিত

গবেষণার ফল মাঠপর্যায়ে দ্রুত পৌঁছাতে পারলে কৃষকের আয় বৃদ্ধি, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং টেকসই কৃষি উন্নয়ন সম্ভব হবে।

মো: লিখন ইসলাম, বাকৃবি

Location :

Mymensingh
বাকৃবিতে বিএএস-ইউএসডিএ এন্ডাওমেন্ট প্রোগ্রামের ষষ্ঠ ধাপের উদ্বোধনী কর্মশালা
বাকৃবিতে বিএএস-ইউএসডিএ এন্ডাওমেন্ট প্রোগ্রামের ষষ্ঠ ধাপের উদ্বোধনী কর্মশালা |নয়া দিগন্ত

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) বিএএস-ইউএসডিএ এন্ডাওমেন্ট প্রোগ্রামের ষষ্ঠ ধাপের উদ্বোধনী কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ রোববার বেলা ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সৈয়দ নজরুল ইসলাম সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এ কর্মশালাটি বাংলাদেশ একাডেমি অব সায়েন্সেস (বিএএস) ও যুক্তরাষ্ট্র কৃষি বিভাগ (ইউএসডিএ)-এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজন করে বাকৃবি রিসার্চ সিস্টেম (বাউরেস)।

কর্মশালায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছয়জন বিএএস ফেলো তাদের গবেষণার উদ্দেশ্য, পদ্ধতি ও ফলাফল উপস্থাপন করেন। পরে উপস্থিত গবেষকরা সংশ্লিষ্ট গবেষণা বিষয়ে মতামত ও পরামর্শ প্রদান করেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাকৃবি ভিসি অধ্যাপক ড. এ. কে. ফজলুল হক ভূঁইয়া। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিএএস-এর ফেলো ও সচিব অধ্যাপক ড. হাসিনা খান এবং বাকৃবি উচ্চ শিক্ষা ও গবেষণা কমিটির কো-অর্ডিনেটর অধ্যাপক ড. মো: সামছুল আলম। কর্মশালার সভাপতিত্ব করেন বিএএস-এর ফেলো মেজর জেনারেল (অব.) অধ্যাপক ড. এ. এস. এম. মতিউর রহমান।

বক্তারা বলেন, ইউএসডিএ'র এন্ডাওমেন্ট প্রোগ্রাম বাংলাদেশের কৃষি গবেষণায় নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে। এর মাধ্যমে গবেষণার মানোন্নয়ন, তরুণ গবেষকদের সম্পৃক্তকরণ এবং উদ্ভাবনী গবেষণা কার্যক্রমকে উৎসাহিত করা সম্ভব হচ্ছে।

তারা আরো বলেন, গবেষণার ফল মাঠপর্যায়ে দ্রুত পৌঁছাতে পারলে কৃষকের আয় বৃদ্ধি, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং টেকসই কৃষি উন্নয়ন সম্ভব হবে।

বিএএস-এর ফেলো অধ্যাপক ড. এ. এস. এম. মতিউর রহমান বলেন, ‘গবেষণার ক্ষেত্রে লোকবল, যন্ত্রপাতি, ব্যবস্থাপনা, মনিটরিং এবং আর্থিক সহায়তা- এই পাঁচটি বিষয়কে প্রাধান্য দিতে হবে। গবেষণার সময়সীমা নির্ধারণ, ফলের প্রয়োগ এবং একাডেমি ও শিল্পখাতের মধ্যে কার্যকর সংযোগ সৃষ্টি করা জরুরি। গবেষণাকে স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করতে হবে যাতে মান বজায় থাকে।’

বাকৃবি ভিসি অধ্যাপক ড. এ. কে. ফজলুল হক ভূঁইয়া বলেন, ‘বিএএস-এর দীর্ঘ ৩০ বছরের পথচলায় বাকৃবির অবদান বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। তরুণ গবেষকদের সহজ ফান্ডিং সুযোগ কাজে লাগিয়ে সঠিকভাবে প্রকল্প বাস্তবায়নের চেষ্টা করতে হবে। গবেষকরা মানসিকভাবে প্রফুল্ল থাকলে গবেষণার মানও উন্নত হবে এবং গবেষণায় মনিটরিং ব্যবস্থায় মানবিক দিকগুলো বিবেচনায় রাখা দরকার।’