গোবিপ্রবির ২৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

জাতীয় পতাকা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা উত্তোলন, বেলুন উড্ডয়ন ও শান্তির প্রতীক পায়রা অবমুক্ত করার মাধ্যমে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করা হয়। পরে আনন্দ র‌্যালি বের করে ক্যাম্পাসের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করা হয়।

মো: নাঈম আশরাফ, গোবিপ্রবি

Location :

Gopalganj
গোবিপ্রবির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বেলুন উড্ডয়ন
গোবিপ্রবির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বেলুন উড্ডয়ন |নয়া দিগন্ত

নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (গোবিপ্রবি) ২৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে।

বুধবার (৮ জুলাই) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ভিসি অধ্যাপক ড. হোসেন উদ্দিন শেখর ও প্রো-ভিসি অধ্যাপক ড. মো: সোহেল হাসান জাতীয় পতাকা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা উত্তোলন, বেলুন উড্ডয়ন ও শান্তির প্রতীক পায়রা অবমুক্ত করার মাধ্যমে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন।

বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষে প্রশাসনিক ভবনের সামনে থেকে আনন্দ র‌্যালি বের করে ক্যাম্পাসের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করা হয়। র‌্যালি শেষে আনন্দমুখর পরিবেশে প্রশাসনিক ভবন চত্বরে কেক কাটা ও মিষ্টি বিতরণ করা হয়।

বেলা ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের টেনিস কোর্ট প্রাঙ্গণে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভিসি অধ্যাপক ড. হোসন উদ্দিন শেখর বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন।

এসময় তিনি বলেন, ‘নানা ধরনের সীমাবদ্ধতা থাকার পরও আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম গতিশীল করতে বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছি। আমরা দায়িত্ব নেয়ার পর শিক্ষার্থীদের জন্য বৃত্তি ও অ্যাওয়ার্ড দেয়ার ব্যবস্থা করেছি। প্রথমবারের মতো ডিনস কমপ্লেক্স চালু করেছি। সেই সাথে গবেষণাগার সমৃদ্ধিকরণ ও মেডিক্যাল সেন্টার সংস্কার করেছি। বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক সঙ্কট মোকাবেলায় ইতোমধ্যে ২০ জন শিক্ষক নিয়োগ দিয়েছি। আরো ৪৭ জন শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের আপগ্রেডেশন সম্পন্ন করা হয়েছে। সার্বিকভাবে আমরা বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে নিতে আরো ১,২০০ কোটি টাকার প্রজেক্ট পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে জমা দিয়েছি।’

এসময় তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে সকলের সহায়তা কামনা করেন।

সভাপতির বক্তব্যে প্রো-ভিসি অধ্যাপক ড. মো: সোহেল হাসান বলেন, ‘যাদের অক্লান্ত পরিশ্রম ও অপরিসীম চেষ্টায় এই বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, তাদের অবদানকে আমি গভীরভাবে স্মরণ করছি। আমি প্রত্যাশা করছি, একদিন এই বিশ্ববিদ্যালয়টি শিক্ষা ও গবেষণার কেন্দ্র হিসেবে তৈরি হবে। সেজন্য আমাদের সকলকে বিভেদ ভুলে একত্রিত হয়ে কাজ করতে হবে।’

ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মঈনুল ইসলামের সঞ্চালনায় সভায় আরো বক্তব্য দেন মানবিক অনুষদের ডিন সুকান্ত বিশ্বাস, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. মো: শাহজাহান, কৃষি অনুষদের ডিন ড. জিলহাস আহমেদ জুয়েল ও রেজিস্ট্রার মো: এনামউজ্জামান।

এদিকে, প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে প্রশাসনিক ভবন ও প্রধান ফটকে আলোকসজ্জা করা হয়।